ভৌমজলের প্রধান উৎস সাধারণ বৃষ্টিপাতের জল ও তুষারগলা জল। এছাড়াও জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে ভৌমজল পাওয়া যায়, সেগুলি হলো __
(ক) মিটিওরিক জল বা আবহিক জল : বৃষ্টিপাত ও তুষারগলা জল তৃপুৃষ্ঠের উপর : ঈয়ে প্রবাহিত হলে জলের অংশ ভূঅত্যন্তর প্রবেশ করে ভৌমজলে পরিণত হয়। একে মিটিওরিক জল বলে। আবহাওয়া মণ্ডলের প্রধান উপাদান বৃষ্টিপাত এই জলের প্রধান উৎস। তাই এই জলকে আবহিক জলও বলা হয়।
(খ) সামুদ্রিক জল : উপকূলে খুব অল্প পরিমাণে সমুদ্রের জল শিলাস্তরের মধ্য দিয়ে 'ভুগর্ভে প্রবেশ করে ভৌমজলের স্তর গঠন করে। একে সামুদ্রিক জল বলে। এই ধরনের জল ভূতভ্যন্তরে খুব অল্প পরিমাণে পাওয়া যায়। একে আবার মহাসাগরীয় জলও বলা হয়।
(গে) জন্মগত বা সহজাত জল : মহীখাত পাললিক শিলায় গঠিত। গঠনের সময় থেকেই সমুদ্র বা হৃদের একাংশ জল এ শিলাস্তরের মধ্যেই থেকে যায়। একে সহজাত জল বা জন্মগত জল বলে। (ঘ) ম্যাগমাটিক জল : অগ্যুৎপাতের সময় ভূগর্ভ থেকে যে খনিজ মিশ্রিত উত্তপ্ত জল বেরিয়ে আসে, তাকে ম্যাগমাটিক জল বলে। এই জল ভূগর্ভ থেকে প্রথম ভূপৃষ্ঠে উৎসারিত হয়। তাই একে উৎস্যন্দ জল বলে। উৎস্যন্দ -এর অর্থ উৎ- উত্থান, এবং স্যন্দ ₹ গমন। ভাদোস স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত জলকে বলা হয় ভাদোস জল। ভাদোস জল যখন নীচের স্তরে পৌঁছায়, তখন তাকে ভৌমজল বলে।

