[1] বিশাল নক্ষত্রের আকর্ষণ: কোনাে বিজ্ঞানীদের। মতে, প্রায় 300 কোটি বছর আগে পৃথিবী যখন গ্যাসীয় অবস্থায় ছিল তখন তার খুব কাছ দিয়ে একটা বিরাট নক্ষত্র চলে যায়। এই সময় সেই নক্ষত্রের আকর্ষণে পৃথিবীর দেহ থেকে একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে চাঁদের সৃষ্টি হয়েছিল।
[2] পৃথিবীর আবর্তন গতি: কোনাে কোনাে জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলেন, সৃষ্টির আদিকালে পৃথিবীর আবর্তন গতি বেশি থাকায় পৃথিবীর একটি অংশ (বর্তমানে যেখানে প্রশান্ত মহাসাগর রয়েছে) ছিটকে বেরিয়ে গিয়ে চাঁদের সৃষ্টি হয়।
[3] মহাসংঘাত তত্ত্ব: উইলিয়াম হার্টম্যান ও ডােনাল্ড ডেভিস মহাসংঘাত তত্ত্ব (giant impact theory) এর সাহায্যে চাঁদের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করেন। তারা বলেন, পৃথিবীর বয়স যখন 10 কোটি বছর তখন, একটি অতিকায় গ্রহাণু ও পৃথিবীর কিছুটা অংশ বাষ্পে পরিণত হয়েছিল। পরে বাষ্প শীতল ও ঘনীভূত হয়ে চাদের সৃষ্টি হয়।
[4] মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব: বর্তমানে চাঁদের শিলা পরীক্ষা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন তাদের মধ্যে চাঁদ ও পৃথিবীর উৎপত্তি প্রায় একই সময়ে। একইভাবে কোনাে এক বিস্ফোরিত অতিকায় নক্ষত্রের বিচ্ছিন্ন অংশ থেকেই দুজনেরই সৃষ্টি।
Tags
Geography

