সিন্ধু সভ্যতা — প্রশ্ন ও উত্তর
১. সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু কোনটি?
উত্তর: সভ্যতার অগ্রগতিতে মানুষের প্রথম ব্যবহৃত ধাতু হলো তামা (Copper)।
২. মহেঞ্জোদারো কে এবং কত সালে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: বাঙালি প্রত্নতাত্ত্বিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯২২ সালে মহেঞ্জোদারো আবিষ্কার করেন।
৩. হরপ্পায় খননকাজ কে শুরু করেছিলেন?
উত্তর: রায় বাহাদুর দয়া রাম সাহনি হরপ্পায় খননকাজ শুরু করেছিলেন।
৪. হরপ্পার সমকালীন একটি বহিরভারতীয় নগরকেন্দ্রিক সভ্যতার নাম লেখো।
উত্তর: হরপ্পার সমকালীন একটি বহিরভারতীয় নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা হলো মেসোপটেমিয়া সভ্যতা।
৫. হরপ্পা সভ্যতায় কোন ধাতুর প্রচলন ছিল না?
উত্তর: হরপ্পা সভ্যতায় লোহার প্রচলন ছিল না।
৬. সিন্ধু সভ্যতার মানুষ মৃতদেহ সৎকারের জন্য কী কী পদ্ধতি অনুসরণ করত?
উত্তর: তারা প্রধানত পূর্ণ সমাধি, আংশিক সমাধি এবং দাহ করার পর অবশিষ্ট ভস্ম সংরক্ষণ—এই তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করত।
৭. প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার একটি বিখ্যাত সামুদ্রিক বন্দরের নাম কী?
উত্তর: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার একটি বিখ্যাত সামুদ্রিক বন্দর হলো গুজরাটের লোথাল।
৮. পূর্ব ভারতের তাম্র প্রস্তর যুগের দুটি প্রধান কেন্দ্রের নাম লেখো।
উত্তর: পূর্ব ভারতের তাম্র প্রস্তর যুগের দুটি প্রধান কেন্দ্র হলো পাণ্ডুরাজার ঢিপি ও মহিষদল।
৯. সিন্ধু সভ্যতার স্রষ্টা হিসেবে কাদের মনে করা হয়?
উত্তর: দ্রাবিড়দের সিন্ধু সভ্যতার স্রষ্টা হিসেবে মনে করা হয়।
১০. সিন্ধু সভ্যতার বৈদেশিক বাণিজ্যে কী কী দ্রব্য আমদানি করা হতো?
উত্তর: বৈদেশিক বাণিজ্যে মূলত বিভিন্ন মূল্যবান ধাতু, রত্নপাথর এবং কারুশিল্পের কাঁচামাল আমদানি করা হতো।
১১. সিন্ধু সভ্যতার প্রধান রপ্তানি দ্রব্য কী কী ছিল?
উত্তর: প্রধান রপ্তানি দ্রব্য ছিল তুলো ও তুলোজাত বস্ত্র, হাতির দাঁত এবং হাতির দাঁতের তৈরি সামগ্রী।
১২. সিন্ধু সভ্যতার সমকালীন প্রধান বিদেশি সভ্যতাগুলোর নাম লেখো।
উত্তর: সমকালীন প্রধান বিদেশি সভ্যতাগুলো হলো মেসোপটেমীয়, মিশরীয় এবং প্রাচীন চীনা সভ্যতা।
১৩. হরপ্পা কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল?
উত্তর: হরপ্পা রাভী বা ইরাবতী নদীর তীরে অবস্থিত ছিল।
১৪. হরপ্পা কে এবং কত সালে আবিষ্কার করেন?
উত্তর: প্রত্নতত্ত্ববিদ দয়ারাম সাহনি ১৯২১ সালে হরপ্পা আবিষ্কার করেন।
১৫. হরপ্পা সভ্যতার মানুষ কোন কোন ধাতুর ব্যবহার জানত?
উত্তর: হরপ্পা সভ্যতার মানুষ তামা, ব্রোঞ্জ (কাঁসা), সোনা, রূপো ও সিসা প্রভৃতি ধাতুর ব্যবহার জানত।
