১.১ ধনগোপাল মুখোপাধ্যায়ের কোন্ বইয়ের চিত্ররূপ তুমি পড়লে?
উত্তর : ধনগোপাল মুখোপাধ্যায়ের Gay Neck (চিত্রগ্রীব) বই এর চিত্ররূপ পড়লাম।
১.২ তাঁর লেখা অন্য আর একটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর : তাঁর লেখা অন্য একটি বই হল – Kari the Elephant.
2. চিত্রগ্রীব’ নামক ছবিতে গল্পটি পড়ে চিত্রগ্রীবের বাবা ও মায়ের আচরণ তোমার কেমন লাগল কয়েকটি বাক্যে লেখো। বাবা-মায়ের সাহচর্যে চিত্রগ্রীব যেমন উড়তে শিখেছে, ঠিক তেমন কোন শিক্ষা তুমি প্রথম বাবা-মায়ের সাহচর্যে শিখেছ—মনে করে লেখো।
উত্তর : চিত্রগ্রীবের বাবা মা দুজনেই খুব দায়িত্বশীল। তারা দুজনেই তাদের বিশাল পাখা মেলে চিত্রগ্রীবকে আগলে রাখত। তার মা, ছিল খুবই দক্ষ। ডিমে তা দেওয়া থেকে শুরু করে ডিম ফাটিয়ে বাচ্ছাকে বের করার ব্যাপারে ছিল সিদ্ধ হস্ত। তার বাবার চেষ্টাও কিছু কম ছিল না। খাওয়ানো, উড়তে শেখানো সব বিষয়ে তাদের লক্ষ ছিল।
প্রথম বাবার সাহচর্যে আমি সাঁতার শিখেছিলাম। তিনি বারবার চেষ্টা করে আমাকে জলে ভেসে থাকা শিখিয়েছেন। প্রথম প্রথম জল খেয়েছি এবং মাথা তুলে সাঁতার কাটতে পারতাম না। ধীরে ধীরে বাবার সাহায্যে সব শিখেছি। এ ছাড়া লেখা পড়া তো বাবা মায়ের কাছেই শিখেছি।
৩. তোমরা ‘চিত্রগ্রীব’ নামের পায়রাটির উড়তে শেখার কথা জানলে। তুমি কখনও টিয়া বা চন্দনার মতো এমন কোনো পাখি দেখেছ যারা কথা বলতে পারে? যদি এই ধরনের কোনো পাখির সঙ্গে তোমার ভাব হয়, তাহলে তার সঙ্গে কী কথা বলবে? তোমাদের সেই কাল্পনিক সংলাপটি সংক্ষেপে লেখো।
উত্তর : আমার পোষা একটি ময়না পাখি ছিল। ছোট্ট ময়না পাখি বাবা কিনে এনেছিলেন, রথের মেলা থেকে। ঠাকুমা শিখিয়েছিলেন তাকে বলতে ‘হরে কৃষ্ণ’‘রাধে কৃষ্ণ’–‘মা’ তার নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণা। রোজ সকালে সে গান শোনাতো তার গানে আমাদের ঘুম ভাঙত।
আমি সকালে উঠে বলতাম—গুড মর্নিং।
ময়না—গুড মরনিং।
আমি–ময়না কেন কথা কয়না !
ময়না—আঃ মরণ কানে শুনতে পাওনা নাকি? এই তো কথা বললুম।
আমি—ময়না তুই কেন এতো কালো ।
ময়না—ঠাকুমা বলেন, কালো জগতের আলো।
আমি—তোর গলা খুব সুন্দর, তুই কি কি গান জানিস ?
ময়না—দিদি শিখিয়েছেন ‘তুমি নির্মল করো মঙ্গল করো।’
আমি–কেন? তোকে আমি শেখালাম ‘বলবল সবে’ সেটা শোনা দেখি।
ময়না—তুমি এখন গান না শুনে পড়তে বস। মাস্টার এলে তো কান-মলা খাও।
আমি–আচ্ছা, আমি তো কান মলা খাই। তবু খাই, আজ তোর খাওয়া তা হলে বন্ধ। এইভাবে আমরা প্রায়ই ময়নার সাথে দুষ্টুমি করতাম।
8. ‘চিত্রগ্রীব’ যেমন একটি ছবিতে গল্প ঠিক এই রকমের একটি ছবিতে গল্প বন্ধুরা মিলে ‘কুমোরে-পোকার বাসাবাড়ি গল্পটি লেখো।
উত্তর : নিজে করো।
অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর
১. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :
১.১ চিত্রগ্রীব কার নাম?
উত্তর : চিত্রগ্রীব একটি পায়রার নাম।
১.২ চিত্রগ্রীবের বাবা কাকে বিয়ে করেছিল?
উত্তর : চিত্রগ্রীবের বাবা হরকরা বংশের এক সুন্দরীকে বিয়ে করেছিল।
১.৩ বাপ-পাখি সারাদিন ডিমে তা দিয়েও কোন ব্যাপারটি বোঝে না ?
উত্তর : বাপ-পাখি সারাদিন ডিমে তা দিয়েও বোঝে না কখন ডিম ফুটে বাচ্চা বের হবে।
১.৪ লেখক পাখির জগতে কোন দুটি মধুর দৃশ্যের কথা বলেছেন?
উত্তর : এক. যখন মা-পাখি ডিম ভেঙে তার বাচ্চাকে বের করে। দুই. যখন মা পাখি তার ডানা দিয়ে বাচ্চাকে জড়িয়ে রাখে এবং ঠোঁটে ঠোঁট দিয়ে খাওয়ায়।
১.৫ লেখকের কাছে কোন বিষয়টি অলৌকিক মনে হয়েছে?
উত্তর : মা-পাখি জানে ডিমের কোথায় ঠোকর দিলে ডিমের খোলা ভাঙবে কিন্তু বাচ্চার কোনো ক্ষতি হবে না।
১.৬ মা-পায়রার তার বাচ্চার মুখে ঢেলে দেওয়া দুধ আসলে কী ?
উত্তর : মা-পায়রার খাওয়া ভুট্টার বীজ দুধে পরিণত হয়।
১.৭ পিঁপড়ে তার বাসায় ঢুকতে গেলে চিত্রগ্রীব কী করেছিল ?
উত্তরঃ ঠোঁট দিয়ে চিত্রগ্রীব পিঁপড়েটাকে দু টুকরো করেছিল।
১.৮ ‘ঠিক সেই সময় আমি এক আবিষ্কার করলুম।’—কে কী আবিষ্কার করলেন?
উত্তর : লেখক আবিষ্কার করলেন যে, পায়রার চোখের উপর একটি পাতলা পর্দা থাকে।
১.৯ চিত্রগ্রীবকে উড়তে শেখানোর ভার নিয়েছিল কে?
উত্তর : চিত্রগ্রীবকে উড়তে শেখানোর ভার নিয়েছিল তার বাপ।
১.১০ চিত্রগ্রীবের বাপ তৃপ্ত মনে স্নান করতে নেমে গেল।’—বাপের এই তৃপ্তির কারণ কী ?
উত্তর : ছেলে অর্থাৎ চিত্রগ্রীব উড়তে শিখেছে দেখে তার বাপ তৃপ্ত হয়ে স্নান করতে নেমে গেল।
