মন ভালো করা কবিতার প্রশ্ন উত্তর | শক্তি চট্টোপাধ্যায়

 ১.১ শক্তি চট্টোপাধ্যায় কোন্ কলেজের ছাত্র ছিলেন ?

উত্তর : শক্তি চট্টোপাধ্যায় কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের ছাত্র ছিলেন।

১.২ তাঁর রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম লেখো।

উত্তর : শক্তি চট্টোপাধ্যায় রচিত দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম – ক) যেতে পারি কিন্তু কেন যাব? খ) হেমন্তের অরণ্যে আমি পোস্টম্যান।

২. নীচের শব্দগুলির বিপরীতার্থক শব্দ লিখে তা দিয়ে বাক্য রচনা করো : হ্রস্ব, খর, শান্ত।

উত্তর :
হ্রস্ব – দীর্ঘ : সাহারার দীর্ঘ মরুভূমি পাড়ি দেওয়া অতো সহজ কাজ নয়।

খর — নরম : শ্যামার নরম গান বেহুলা শুনেছিল ভেলায় চড়ে স্বর্গে পাড়ি দেবার সময়।

শান্ত —অশান্ত : বেশ কিছু দিন ছেলের কোনো খবর না পেয়ে বাবার মন অশান্ত হয়ে আছে।

৩. নীচের শব্দগুলি কোন্ মূল শব্দ থেকে এসেছে লেখো : রোদ্দুর, গা

উত্তর : রোদ্দুর—রোদ। গা—শরীর।

8. “হাওয়ায়-বাতাসে পাতারাও নড়ে”–হাওয়া-বাতাসের মতো একই অর্থবোধক পাঁচটি শব্দবন্ধ রচনা করে স্বাধীন বাক্যে প্রয়োগ করো।

উত্তর : বিপদ-আপদ – নদীর ধারের সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে সাবধানে গাড়ি চালাবে, যাতে কোনো বিপদ-আপদ না ঘটে।

হাটবাজার — ধর্মঘটের ফলে হাটবাজার সব বন্ধ।

চোর-ডাকাত — ইদানিং আমাদের পাড়ায় চোর-ডাকাতের খুব উৎপাত বেড়েছে।

হাসিখুশি — হাসিখুশিভাবে জীবন কাটালে অনেক রোগ এড়ানো যায়।

দায়-দায়িত্ব —– সংসারের প্রতি কি তোমার কোনো দায়-দায়িত্ব নেই, সব কাজ ফেলে দিনরাত কেবল টো-টো করে ঘুরে বেড়াচ্ছো ?

৫. মন ভালো করা, নীল-নীলান্ত’র মতো একাধিক শব্দ বন্ধ তৈরি করো।

উত্তর : ‘মন-ভালো-করা’-র মতো শব্দবন্ধের উদাহরণ— বসে আঁকো-প্রতিযোগিতা, নাম-না-জানা-পাখি, সবুজ-বাঁচাও-কমিটি।

“নীল-নীলান্ত’ব মতো শব্দবন্ধের উদাহরণ— দূর-দুরান্ত, তল-তলান্ত, দিগ্‌-দিগন্ত, ডুব-ডুবন্ত, হাওয়া-বাতাস, ভুল-ভুলাইয়া, শাপ-শাপান্ত, দেনা-পাওনা।

৬. গদ্যে লেখো : মন ভালো করা রোদ্দুর কেন/মাছরাঙাটির গায়ের মতন?

উত্তর : মন ভালো করা রোদ কেন মাছরাঙার গায়ের মতো?

৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো।

৭.১ কবিতায় কবিমনে কোন্ কোন্ প্রশ্ন জেগেছে তা নিজের ভাষায় লেখো।

উত্তর : শক্তি চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘মন ভালো করা’ কবিতায় কবির মনে নানা প্রশ্ন জেগেছে। প্রথমত, মন ভালো করা রোদ্দুর কেন মাছরাঙার গায়ের রঙের মতো? দ্বিতীয়ত, কেন মাছরাঙার রঙ উগ্র ও শান্ত, লাল-হলুদ-সবুজ কেন? তৃতীয়ত, বন কেন লাল, হলুদ ও সবুজাভ।

৭.২ মন ভালো-করা রোদ্দুরকে কবি কীসের সঙ্গে তুলনা করেছেন ?

উত্তর : মন-ভালো-করা রোদ্দুরকে কবি মাছরাঙার গায়ের রঙের সাথে তুলনা করেছেন।

৭.৩ মাছরাঙা পাখির রং কবির চোখে কীভাবে ধরা পড়েছে?

উত্তর : কবির ভাষায় মাছরাঙার রং গাঢ় নীল উজ্জ্বল; কোথাও রয়েছে লাল, হলুদ, সবুজ রঙেরও ছড়াছড়ি।

৭.8 গাছের ডালে বসা মাছরাঙা পাখিটি কীভাবে কবি কল্পনাকে প্রভাবিত করেছে তা বুঝিয়ে দাও ।

উত্তর : গাছে বসে আছে উজ্জ্বল গাঢ় নীল রঙা পাখি। তার ঘন উজ্জ্বল রং কবিকে নানাভাবে আকর্ষণ করছে। এই পাখিটির নাম মাছরাঙা। কবিকে শুধু আকর্ষণ নয়, নানাভাবে প্রভাবিত করেছিল। কবির মনে হয়েছে মন ভালো করা রোদের রং নীল, মাছরাঙাটির গায়ে আলো পড়লে তবে হাওয়ায় বাতাসে পাতারাও নড়ে। মাছরাঙার রং ঘন হলেও নীল-আকাশ জুড়ে তা একেবারেই শান্তরূপ ধারণ করেছে। কবির মনে বারবার প্রশ্ন জেগেছে কেন মন ভালো করা রোদ্দুর মাছরাঙাটির গায়ের মতো ?

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

১. ‘মন ভালো-করা’ কবিতাটির এমন নাম করণের কারণ কী ?

উত্তর: মাছরাঙা পাখির গায়ে নানা রঙের সমাহার – লাল, হলুদ, নীল, সবুজ। কবি মাছরাঙার গায়ের রঙের সঙ্গে রোদেরও যথেষ্ট মিল পেয়েছেন। সকালে রোদের রং লাল, দুপুরে কবির চোখে রোদের রং হলুদ আবাব সবুজ পাতার ফাঁক দিয়ে পড়া রোদকে কবি সবুজ দেখেছেন। রোদ কবির চোখে অসাধারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। মাছরাঙার গায়ের রং আর রোদ মিলে কবির মনকে ভালোলাগায় ভরিয়ে তুলেছে। তাই মন ভালো-করা নামকরণটি উপযুক্তই হয়েছে।

২. কেন ওর রং খর ও শান্ত’–এই শব্দ কয়টি দ্বারা কীভাবে মাছরাঙা ও রোদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?

উত্তর : বিভিন্ন রঙের মিশ্রণে মাছরাভার শরীরের রং অতি উজ্জ্বল কিন্তু তা স্নিগ্ধ বা শান্ত। একইভাবে রোদও কখনও খর আবার কখনও শান্ত। দুপুরের রোদ প্রখর ও তীব্র কিন্তু সকালের ও বিকালের রোদ শান্ত বা স্নিগ্ধ।

৩. নীচের শব্দগুলির পদ পরিবর্তন করো : দীর্ঘ, নীল, রং, আলো, l

উত্তর : দীর্ঘ (বিশেষণ)—দৈর্ঘ্য (বিশেষ্য)। নীল (বিশেষ্য)–নীলাভ (বিশেষণ)। রং (বিশেষ্য) -রঙিন (বিশেষণ)। আলো (বিশেষ্য)-আলোকিত (বিশেষণ) ।

Lob (Admin)

This site was launched on March 1, 2019. Today it is appreciated by millions of students. This site has changed a lot in the last two years and I have tried to do better every time.

Please Do Not Enter Any Span Link in The Comment Box

Previous Post Next Post

نموذج الاتصال