১.১ মতি নন্দীর লেখা দুটি বইয়ের নাম লেখো।
উত্তর : মতি নন্দীর লেখা দুটি বইয়ের নাম হল—১) ননীদা নট আউট, ২) কোনি।
১.২ তিনি কোন্ ক্রিকেটারের জীবনকথা লিখেছেন?
উত্তর : তিনি ক্রিকেটের একচ্ছত্র সম্রাট স্যার জন ব্র্যাডম্যান-এর জীবনকথা লিখেছেন।
2. নীচের শব্দগুলির বর্ণবিশ্লেষণ করে মৌলিক ও যৌগিক বর্ণগুলিকে ছকের ঠিক ঠিক ঘরে বসাও :
তৈরি, পৌঁছোবার, দৌড়ানো, চৌধুরি।
উত্তর :
৩. নীচের বিশেষ্যগুলিকে বিশেষণে এবং বিশেষণগুলিকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করে লেখো : খেলা, জবাব, অপমানিত, বিষণ্ণতা, উদ্ভব।
উত্তর : খেলা (বিশেষ্য) — খেলোয়াড় (বিশেষণ)। জবাব (বিশেষ্য)——জবাবী (বিশেষণ)। অপমানিত (বিশেষণ) অপমান (বিশেষ্য)। বিষণ্ণতা (বিশেষ্য) – বিষণ্ণ (বিশেষণ)। উদ্ভব (বিশেষ্য)——উদ্ভূত (বিশেষণ)।
৪. চার, পাঁচ, এগারো, পঁচিশ, তিরিশ—এই শব্দগুলিকে ব্যাকরণগতভাবে আমরা কী বলি? এদের পূরণবাচক রূপটি লেখো।
উত্তরঃ ব্যাকরণগতভাবে এদের আমরা সংখ্যাবাচক শব্দ বলি ।
এদের পূরণবাচক রূপ—চতুর্থ, পঞ্চম, একাদশ, পঞ্চবিংশ, ত্রিংশ।
৫. নীচের শব্দগুলি থেকে উপসর্গ পৃথক করে দেখাও এবং তা দিয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে লেখো : প্রতিশব্দ, হাফ-ডে, অতুল, বেফিকির।
উত্তর : পৃথক উপসর্গগুলি হল—প্রতি, হাফ, অ, বে। (প্রতিশব্দ, হাফ-ডে, অতুল, বেফিকির)। নতুন শব্দ— প্রতিবাদ, হাফ টিকিট, অমিত, বেহিসাবি।
৬. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর লেখো :
৬. ১ রুপোলি সংঘের সঙ্গে কাদের খেলা হয়েছিল ?
উত্তর : রূপোলি সংঘের সঙ্গে সি.সি.এইচ্ -এর খেলা হয়েছিল।
৬.২ খেলাটিতে ক্যাপ্টেন কে ছিলেন?
উত্তর : খেলাটিতে ক্যাপ্টেন ছিলেন মোনা চৌধুরি।
৬.৩ সি.সি.এইচ.-এর খেলোয়াড়দের মুখ ম্লান হয়েছিল কেন?
উত্তর : সি.সি.এইচ.-এর খেলোয়াড়দের মুখ ম্লান হওয়ার কারণ – প্রথম ইনিংসে ওভার শেষ, স্কোর সমান সমান। দু-দলেরই রান ১৪। অর্থাৎ জেতা তো দূরের কথা, একেবারে শোচনীয় পরাজয় ঘটবে। এই পরিস্থিতিতে সকলের মুখ ম্লান হয়েছিল।
৬.৪ বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে বিষ্টু কী কাণ্ড করেছিল ?
উত্তর : বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে বিষ্টু উইকেটের দিকে ছুটে আবার পিছু হটতে শুরু করে। তারপর গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল।
৬.৫ ব্যাটসম্যান ক্রিজ ছাড়ছিল না কেন?
উত্তর : ব্যাটসম্যান ব্রিজ ছাড়ছিল না, তার কারণ—যদি তখন বোল্ড আউট করে দেয়, এই ভয়ে।
৬.৬ ফিল্ডাররা মাঠে কী করছিল?
উত্তর : ফিল্ডাররা মাঠে কেউ শুয়েছিল, কেউ আবার বসেছিল।
৬.৭ সবার মুখ যখন ম্লান তখন ননীদার মুখে কোনো বিকার ছিল না কেন ?
উত্তর : সবার মুখ যখন ম্লান তখন ননীদার মুখে কোনো বিকার ছিল না, তার কারণ—ননীদা যে পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন, তাতে তিনি জানতেন, ম্যাচে তাদের দল কিছুতেই হারবে না। সুতরাং মুখ ম্লান হওয়ার কোনো কারণ ছিল না।
৭. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো :
৭.১ ‘এটাকে শিবরাম চক্রবর্তীর লেখা গল্প বলেই ধরে নিতাম।’—বক্তার এ হেন মন্তব্যের কারণ কী?
শিবরামের গল্পের কোন্ বিশেষত্বের গুণে তাঁর এমন মন্তব্য ?
উত্তর : গল্পকার শিবরাম চক্রবর্তীর গল্পের ধরনের সাথে এই কাহিনিটির যথেষ্ট মিল আছে। স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে—এ গল্প লিখেছেন শিবরাম চক্রবর্তী। কিন্তু গল্প লেখক মতি নন্দী, সি.সি.এইচ. ফুটবল দলের ক্যাপ্টেন মোনা চৌধুরির কাছে ঘটনাটা শুনেছিলেন। ঘটনাটা এমন সব হাস্যকর গল্পের মতো, সুতরাং ক্যাপ্টেন নিজে ঘটনাটা না বললে এটা শিবরাম চক্রবর্তীর গল্পই মনে হত, বাস্তব বলে কেউ বিশ্বাস করত না।
শিবরামের গল্পের বিশেষত্ব—হাস্যরসাত্মক, অদ্ভুত ঘটনা ও পরিবেশ সৃষ্টি লক্ষ করা যায়—সেই সাথে ব্যঙ্গের ছোঁয়া তো আছেই। এখানে বাস্তবিক যা ঘটেছে, তার সাথে শিবরামের গল্পরীতির মিল আছে। সেজন্যই স্বয়ং ক্যাপ্টেন না বললে, ঘটনাটা শিবরামের গল্পই মনে হত।
৭.২ ‘সারা মাঠ অবাক, শুধু ননীদা ছাড়া। সারা মাঠকে অবাক করে দেওয়ার মতো কোন্ ঘটনা ঘটেছিল ? ননীদা সে ঘটনায় অবাক হলেন না কেন ?
উত্তর : রুপোলি সংঘ ও সি.সি.এইচ.-এর খেলা হচ্ছিল। ১৪ রানেই সি.সি.এইচ. সব আউট হয়ে গেল। অর্থাৎ পরাজয় অবশ্যই হবে। এইরকম পরিস্থিতিতে এই দলের ক্যাপ্টেন মোনা চৌধুরি ও অন্যান্য সদস্যগণ বিষণ্ণতায় ম্লান হয়ে গেছে। বিপক্ষ দল বেশ ভালোরকম অপমান করে চলেছে- -সে অপমান সহ্য করা যায় না। এইরকম পরিস্থিতিতে ননীদা দলকে পরাজয়ের অপমান থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব নিয়েছেন। এরপর ননীদা বিষ্টুকে একধারে ডেকে নিয়ে কত বোঝালেন। তারপর খেলা শুরু হল। বিষ্টু বল করার জন্য, বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল। ব্যাটম্যান খেলার জন্য তৈরি। বিষ্টু উইকেটের দিকে ছুটতে শুরু করল। কিন্তু, তারপর আবার পিছু হঠে আসে। তারপর গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল। সবাই ভাবছে — বিষ্টু কি পাগল হয়ে গেল? ঘুরছে, পাক খাচ্ছে, ঘুরছে আবার পাক খাচ্ছে, লাফাচ্ছে, বোলিং মার্কে ফিরে যাচ্ছে, ডাইনে যাচ্ছে বাঁয়ে যাচ্ছে কিন্তু বল হাতেই রয়েছে- এই রকম একটি পরিস্থিতি দেখে সারা মাঠ অবাক হল।
বিষ্টুর বল করতে এসে, বল না করে, পাক খাওয়া, লাফানো ইত্যাদি দেখে সারা মাঠ অবাক হলেও ননীদা কিন্তু অবাক হয়নি। কারণ সমস্ত বিষয়টা তো ননীদার পরিকল্পনা মতোই হচ্ছে। বিষ্টুকে কী করতে হবে, সে তো ননীদাই বুঝিয়েছেন ও নির্দেশ দিয়েছেন। বিষ্টুকে ওইভাবে ৫টা পর্যন্ত সময় নষ্ট করতে বলেছেন ননীদা। সুতরাং এ বিষয়ে ননীদার অবাক হওয়ার কিছু নেই।
৭.৩ “যখন খেলা শেষ হয়ে যাবে।’— খেলা শেষের পর কোন্ ঘটনা ঘটবে ?
উত্তর : সি.সি.এইচ.-এর পক্ষে বল করতে গেল বিষ্টু। সে বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে আবার পিছু হটতে শুরু করেছে। তারপর গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল। বিষ্টু পাক খাচ্ছে, লাফাচ্ছে, বোলিং মার্কে ফিরে যাচ্ছে, ডাইনে যাচ্ছে, বাঁয়ে যাচ্ছে কিন্তু বল হাতেই রয়েছে। বিষ্টুর এই অদ্ভুত কাণ্ডকারখানা দেখে প্রশ্ন উঠে এল – বোলার এভাবে ছুটোছুটি করছে কেন? ননীদা গম্ভীর হয়ে তার উত্তর দিলেন—’বল করতে আসছে’। আবার প্রশ্ন উঠে এল—’এসে পৌঁছবে কখন?’ ননীদা যথাযোগ্য উত্তর দিলেন— পাঁচটার পর। যখন খেলা শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ ঘোরাঘুরি, লাফালাফি করে যখন সময় নষ্ট করে যাচ্ছে বিষ্টু। এভাবে খেলার সময় শেষ হয়ে গেলে খেলা অমীমাংসিতভাবে শেষ হয়ে যাবে।
৭.৪ “ক্রিকেটে আইনের বই বার করে দেখিয়ে দিলেন— তোমার জানা ক্রিকেটের কিছু আইন যোগ করো। সঙ্গে অন্য কোনো ঘরের বাইরের খেলার আইনকানুনও যোগ করতে পারো।
উত্তর : ১. প্রতি ওভারে একজন বোলার ৬টির বেশি বল করতে পারবে না। ২. নির্দিষ্ট সীমারেখা ছাড়িয়ে এসে বোলার বল করলে সেটি নো বল বলে ঘোষিত হবে।
১. ঘরে বসে খেলা যায় এমন একটি খেলা লুডো। এই খেলায় পর পর তিনবার ছয় পড়লে সবকটিই বাতিল বলে গণ্য হয়। ২. ফুটবল খেলা চলাকালীন কোনো খেলোয়াড় হাত দিয়ে বলটি ছুঁতে পারবে না। তাহলে ফাউল বলে গণ্য হবে। শুধুমাত্র গোলকিপার তার নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে বলটি হাত দিয়ে ধরতে পারে।
৭.৫ ‘আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হলো। আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হয়েছিল কেন? মাঠে চূড়ান্ত অস্থিরতার সময় ননীদা কেমন ভূমিকা নিলেন ?
উত্তরঃ আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হওয়ার কারণ হল – বোলার বিষ্টু, ননীদার নির্দেশে বল করার অভিনয় করে চলেছে। বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে বিষ্টু আবার পিছু হটতে শুরু করেছে। তারপর গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল। ঘুরছে, পাক খাচ্ছে, লাফাচ্ছে, বোলিং মার্কে ফিরে যাচ্ছে, ডাইনে যাচ্ছে, বাঁয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বল হাতেই রয়েছে। এইরকম অদ্ভুতকাণ্ড দেখে সারা মাঠই অবাক। এই দেখে রুপোলি সংঘ আম্পায়ারের কাছে নালিশ জানায়। তারপর আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি শুরু হয়ে যায়।
ননীদার পরিকল্পনা অনুসারে সবকিছু ঘটেছে। তিনি এরকম পরিস্থিতির জন্য তৈরি হয়েই এসেছিলেন। মাঠে চূড়ান্ত অস্থিরতার সৃষ্টি হতেই ননীদা পকেট থেকে ক্রিকেট আইনের বই বের করে দেখিয়ে দিলেন—বোলার কতখানি দূরত্ব ছুটে এসে বল করবে, সে সম্পর্কে কিছু লেখা নেই। সারাদিন সে ছুটতে পারে, বল ডেলিভারির আগে পর্যন্ত।
৭.৬ “নতুন এক সমস্যার উদ্ভব হলো।’—উদ্ভূত নতুন সমস্যাটি বা কী?
উত্তর : সি.সি.এইচ. দলের বিষ্টু, মূল চরিত্র ননীদার বুদ্ধি ও নির্দেশে বল করার নামে অভিনয় করে যাচ্ছে। সে সমানে দৌড়ে চলেছে। পাঁচটায় খেলা শেষ হবে, পাঁচ বাজতে পাঁচে উদ্ভূত সমস্যাটি হল—বল ডেলিভারি দিতে বোলার ছুটছে তার মাঝেই খেলা শেষ করা যায় কি না। দুই আম্পায়ার আলোচনা করে ঠিক করলেন, এটা বে-আইনি হবে। ফলে বিষ্টুর পাক দিয়ে দিয়ে দৌড়ানো বন্ধ হল না।
৭.৭ ‘এরপর বিষ্টু বল ডেলিভারি দিলো।’—বল ডেলিভারির আগে বিষ্টু যা যা ঘটনা ঘটায় তা বিবৃত করো।
উত্তর : বল ডেলিভারি দেওয়ার আগে বিষ্টু যা যা ঘটনা ঘটিয়েছে তা হল – প্রথমে বিষ্টু গুনে গুনে ছাব্বিশ কদম গিয়ে মাটিতে বুটের ডগা দিয়ে বোলিং মার্ক কাটল। ব্যাটম্যান খেলার জন্য তৈরি। বিষ্টু তারপর উইকেটের দিকে ছুটতে শুরু করল। বোলিং ক্রিজে পৌঁছোবার আগে–বিষ্টু আবার পিছু হটতে শুরু করেছে। তারপর গোল হয়ে ঘুরতে শুরু করল।
বিষ্টুর বল করা নিয়ে এই আচরণের পরিপ্রেক্ষিতে নানাভাবে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিপক্ষদল, আম্পায়ারকে ঘিরে তর্কাতর্কি, ননীদার ক্রিকেট আইনের বই দেখানো, তারপর খেলাটা কখন কী পরিস্থিতিতে শেষ করা হবে—এ নিয়েও সমস্যা—বোলার ছুটছে তার মাঝেই খেলা শেষ করা যায় কিনা, দুই আম্পায়ার আলোচনা করে ঠিক করলেন সেটা বেআইনি হবে। এরপর মাঠের ধারে লোক কমেছে। তাদের অনেকে বাড়ি চলে গেল। অনেক লোক খবর পেয়ে দেখতে এল। ব্যাটম্যান সান্ত্রীর মতো উইকেট পাহারা দিয়ে দাঁড়িয়ে। সন্ধ্যা নামল, বিষ্টু ছুটে চলেছে। ফিল্ডাররা শুয়েছিল মাটিতে। ননীদা তাদের তুলে ছ-জনকে উইকেট-কিপারের পিছনে দাঁড় করালেন। বাই রান বাঁচাবার জন্য। —এই সমস্ত
ঘটনা ঘটার পর বিষ্টু বল ডেলিভারি দিল।
৭.৮ ‘চটপট মঞ্জুর হয়ে গেল।’— কোন্ আবেদন মঞ্জুর হয়ে গেল? আবেদনকারী কে ছিলেন? তার এমন আবেদনের কারণ কী ছিল ?
উত্তর : ‘আলোর অভাবের আপিল’ মঞ্জুর হয়ে গেল।
আবেদনকারী ছিলেন ননীদা ।
ননীদার এমন আবেদন করার বেশ যুক্তিসংগত কারণই ছিল। কারণ, ননীদার মূল উদ্দেশ্য সি.সি.এইচ.-কে পরাজয়ের
হাত থেকে উদ্ধার করা। কিন্তু, বিপক্ষ রুপোলি দলের জেতার সম্ভাবনাও বেশি, এই পরিস্থিতিতে কৌশল অবলম্বন করলেন ননীদা। নিজের দলের খেলোয়াড় বিষ্টুকে দিয়ে বল করালেন কিন্তু তা অকারণ সময় নষ্ট করা —বিকাল ৫টা পর্যন্ত। পাঁচটার পর বল ডেলিভারি দেওয়া হবে। বল ডেলিভারি যখন হল আর ননীদা ‘ম্যাচ ড্র’ বলে চেঁচিয়ে উঠলেন, রুপোলির ব্যাটম্যান প্রতিবাদ জানিয়ে বলল – বল ডেলিভারির মাঝে যদি খেলা শেষ করা না যায়, তাহলে ওভারের মাঝেও খেলা শেষ করা যাবে না। শুরু হলো আবার তর্কাতর্কি। বিষ্টুকে আরও পাঁচটা বল করে ওভার শেষ করতে হলে, জেতার জন্য রুপোলি একটা রান করে ফেলবেই— যেভাবেই হোক। আর তার ফল হল রুপোলির হাতে সি.সি.এইচ.-এর পরাজয়। এই পরিস্থিতিতে ননীদা আলোর অভাবের আপিল করলেন। তা মঞ্জুরও হয়ে গেল। অর্থাৎ পরাজয়েব হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য যতরকম কৌশল অবলম্বন করা যায় তা করেছেন ননীদা। এটা তাঁর আর একটি অন্যতম কৌশল ।
৭.৯ “তারা কেউ এই ঘটনার সত্যতা নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন তুলবে না।’—কোন্ ঘটনার কথা বলা হয়েছে? সে ঘটনা সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে কেন বলে বক্তার মনে হয়েছে? পাঠ্যাংশটি পড়ে তোমার মনে জাগা প্রশ্নগুলি লেখো।
উত্তর : আলোচ্য ঘটনাটি হল—সি.সি.এইচ. ও রুপোলি সংঘের ম্যাচকে কেন্দ্র করে খেলার মাঠে যে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল—তার কথা বলা হয়েছে। এখানে, ননীদার বুদ্ধিতে, বিষ্টু ‘বল’ করার নামে ঘুরপাক, লাফালাফি ইত্যাদি করে ম্যাচ শেষের সময় পর্যন্ত সময় নষ্ট করেছে। শেষপর্যন্ত ম্যাচটাকে ‘ড্র’ করানো হয়েছে। এই হাস্যকর মজার ম্যাচে ননীদার বুদ্ধিতে, বিষ্টুকে দিয়ে যে কর্মকাণ্ড ঘটানো হয়েছে— এখানে সেই ঘটনার কথা বলা হয়েছে।
আলোচ্য ঘটনার সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে বলে বক্তার মনে হওয়ার কারণ ক্রিকেট ম্যাচে, যে ঘটনার বিবৃতি এখানে দেওয়া হয়েছে সচরাচর তা ঘটে না। বল করার সময় বিষ্টুর ছুটোছুটি, ঘুরপাক খাওয়া ইত্যাদি বিভিন্নভাবে যে সময় নষ্ট করেছে তা ক্রিকেট ম্যাচে সাধারণত বাস্তবিক নয়। তাছাড়া, খেলার সময় শেষ না হওয়া পর্যন্ত এইভাবে ঘুরে বেড়ানো এটাও স্বাভাবিক মনে হয় না। সুতরাং সমস্ত ঘটনাটি বিচার করলে স্বাভাবিকভাবেই মনে হবে—এ ঘটনার সত্যাসত্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।
পাঠ্যাংশটি পড়ে আমার মনে যেসব প্রশ্ন জাগে তা হল—১) যে কখনো বল করে না ক্যাপ্টেন কি আদৌ তাকে বল করতে পাঠাবে? ২) খেলা চলতে চলতে ক্যাপ্টেনের ননীদার কথায় রাজি হওয়াটা কি স্বাভাবিক? ৩) বিষ্টু বল নিয়ে যে কাণ্ডকারখানা খেলা শেষের সময় পর্যন্ত করেছে তা আদৌ কি সম্ভব? ৪) খেলার মাঠে ব্যাটসম্যান দাঁড়িয়ে, ফিল্ডাররা শুয়ে—এ কি বিশ্বাসযোগ্য ? ৫) আম্পায়ারদের সিদ্ধান্তগুলি আদৌ কি সম্ভব? ৬) ননীদার আলোর অভাবের আপিল ঠিক
কী? ৭) সমস্ত ঘটনাটা, যা ঘটেছে—তা কি ক্রিকেট মাঠে আদৌ সম্ভব?
৮. ক্রিকেট মাঠে খেলোয়াড়দের দাঁড়ানোর বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলি নীচের জায়গাটিতে নির্দেশ করো।
উত্তর :


