[1] গণপরিবহণের ব্যবস্থা : ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার বাড়লে বায়ুদূষণের পরিমাণ বাড়ে। তাই গণপরিবহণ ব্যবস্থার উন্নতি এবং ব্যবহার বাড়ালে বায়ুদূষণের মাত্রা কমে।
[2] পুরােনাে প্রযুক্তির ইঞ্জিন বাতিল: বর্তমানে আমাদের দেশে নতুন প্রযুক্তির ভারত স্টেজ IV ইঞ্জিনের ব্যবহার বাড়ছে। এতে দূষণ কম হয়। পনেরাে বছরের পুরােনাে ইঞ্জিন গাড়িতে ব্যবহার করলে দূষণের মাত্রা বাড়ে।
[3] ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি : ট্রেন, ট্রাম, মেট্রো রেল ইত্যাদি থেকে তেমন দূষণ ছড়ায় না। তাই, এগুলির ব্যবহার বাড়ানাে উচিত। এ ছাড়া সাইকেল, ভ্যান, রিকশার ব্যবহার বাড়লে বায়ুদূষণ কমানাে যায়।
[4] লােকালয় থেকে দূরে শিল্পকেন্দ্র তৈরি : কলকারখানা বা শিল্পকেন্দ্রগুলি লােকালয় থেকে দূরে তৈরি করা উচিত।
[5] অপ্রচলিত শক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে: সৌরশক্তি, জোয়ারভাটা শক্তি, বায়ুশক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। এতে বায়ুর দূষণ কমবে।
[6] বৃক্ষরােপণ করা : উদ্ভিদ একদিকে যেমন অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের জোগানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে, তেমনি বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা, কার্বন কণাকে পাতায় আটকে রাখে।
এ ছাড়া, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণেও গাছের ভূমিকা রয়েছে। তাই রাস্তা, কলকারখানার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গাছ লাগানাে জরুরি৷
Tags
Geography
