পরবর্তীকালে শ্রেষ্ঠী ও গৃহপতি নামে অতি সচ্ছল ধনিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ব্রাত্মণ, সম্প্রদায়ের প্রবল স্বার্থ সংঘাত শুরু হয়।
অন্যদিকে পশুবলি বৈদিক ধর্মের অন্যতম অঙ্গ হওয়ায় দেশের গবাদি সম্পদ ক্রমেই হ্রাস পাচ্ছিল, অথচ কৃষিভিত্তিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে গাে-সম্পদের যথেষ্ট গুরুত্ব ছিল। তাই গাে-সম্পদ রক্ষার তাগিদে কৃষক তথা বৈশ্য সম্প্রদায় ব্রাত্মণ্য ধর্মের বিরােধিতায় সােচ্চার হয়ে ওঠে।
এক কথায় বলা যায়, পরবর্তী বৈদিক যুগের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনের গভীর বিবর্তন, ব্যাবসাবাণিজ্যের প্রসার, শিল্পী কারিগর ও শক্তিশালী বণিক শ্রেণির উদ্ভব ভারতবর্ষের ধর্মীয় জীবনে গভীর প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। নগরের নতুন নাগরিক গােষ্ঠী ও বণিক সম্প্রদায়ের আশা-আকাঙ্খর সঙ্গে বহুদিন ধরে সুপ্রতিষ্ঠিত ব্রাত্মণ্য রক্ষণশীলতার সংঘর্ষ ও স্বার্থ সংঘাতের পথ ধরেই নতুন একটি ধর্মীয় আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল, সাধারণভাবে এই আন্দোলন প্রতিবাদী আন্দোলন নামে পরিচিত।
Tags
History

