[1] ট্রপােস্ফিয়ার:
i) ভূপৃষ্ঠ থেকে গড়ে 12 কিমি পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে, তা ট্রপােস্ফিয়ার নামে পরিচিত।
Ii) মেঘ, বৃষ্টি, ঝড়, তুষারপাত, শিশির, কুয়াশা সব ধরনের বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনা এই স্তরে ঘটে৷ তাই এটি ক্ষুদ্ধমণ্ডল নামে পরিচিত।
Iii) এই স্তরে প্রতি 1000 মিটার উচ্চতা বাড়লে 6.5 °সে হারে তাপমাত্রা কমে যায়।
Iv) ট্রপােস্ফিয়ার ও তার পরবর্তী স্তর স্ট্র্যাটোস্ফিয়ায়ের মধ্যবর্তী সংযােগকারী অংশকে
ট্রপােপজ বলে।
[2] স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার :
i) ট্রপােস্ফিয়ারের ওপরে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় 50 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত স্তরের নাম স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার। .
ii) এখানে অতিসূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনাে জলীয়বাষ্প থাকে না বলে এখানে কোনাে ঝড়ঝঞ্ঝা নেই, তাই একে শান্তমণ্ডল বলে।
Iii) উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই স্তরের তাপমাত্রা বাড়ে এবং এই স্তরেই ওজোন গ্যাসের স্তর রয়েছে বলে এর নাম ওজোননাস্ফিয়ার।
iv) স্ট্রাটোস্ফিয়ার ও মেসােস্ফিয়ারের সংযােগকারী অংশকে স্ট্রাটোপজ বলে।
[3] মেসােস্ফিয়ার:
i)স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের ওপর 80 কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত স্তর হল মেসােস্ফিয়ার।
ii) উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এখানে তাপমাত্রা কমে যায় এবং মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা ছুটে আসে তা এই স্তরে পুড়ে যায়।
[4] থার্মোস্ফিয়ার :
i) মেসােপজের ওপর থেকে প্রায় 500 কিমি পর্যন্ত স্তরটি নাম থার্মোস্ফিয়ার।
ii) উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উন্নতা দ্রুত বাড়ে। এই স্তরের তাপমাত্রা বেড়ে হয় 200°সে|
iii) উধর্ব মেসােস্ফিয়ার, থার্মোস্ফিয়ার ও নিম্ন এক্সোস্ফিয়ারের যে অংশে বাতাসের কণাগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে তাকে আয়নােস্কিয়ার বলে। এই স্তর বেতার সম্প্রচারে সাহায্য করে।
[5] এক্সোস্কিয়ার: থার্মোস্ফিয়ারের পর সীমাহীন
মহাকাশে এক্সোস্ফিয়ার বিস্তৃত এবং এখানে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে তাপমাত্রা বাড়তেই থাকে।
Tags
Geography

