[1] প্রাণের সৃষ্টি: বায়ুমণ্ডল আছে বলেই এই পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি হয়েছে। বায়ুর অক্সিজেন প্রাণ সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে।
[2] অনুকূল তাপমাত্রা: বায়ুমণ্ডলের জন্যই দিন এবং রাত্রির মধ্যে তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষিত হয়েছে। বায়ুমণ্ডল না থাকলে দিনের তাপমাত্রা যেমন খুব বেড়ে যেত তেমনি রাত্রি অসম্ভব ঠান্ডা পড়ত।
[3] উল্কা থেকে রক্ষা: প্রতিদিন প্রায় 10 হাজার কোটি ছােটো ছােটো উল্কা পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে। বায়ুমণ্ডল আছে বলেই সেগুলি পৃথিবীতে পৌঁছানাের আগেই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এভাবে পৃথিবী সুরক্ষিত থাকে।
[4] অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা: স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে
ওজোন গ্যাসের স্তর থাকায় সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনি রশ্মি পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে না, এর
ফলে জীবজগৎ রক্ষা পেয়েছে।
[5] জলের ভারসাম্য রক্ষা: বায়ুমণ্ডল না থাকলে
সূর্যের তাপে পৃথিবীর সব জল বাষ্পীভূত হয়ে যেত। বায়ুমণ্ডল আছে বলেই তা মেঘ হিসেবে ওপরে অবস্থান করে এবং বৃষ্টিরূপে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে
ফিরে আসে।
[6] অন্যান্য:
i) বায়ুমণ্ডলের জন্যই উদ্ভিদ বেঁচে থাকার প্রয়ােজনীয় নাইট্রোজেন পায়,
ii) বায়ুমণ্ডলের জন্যই শিলায় আবহবিকার ঘটে ও মাটির সৃষ্টি হয়,
iii)বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের কারণে পৃথিবীতে দহন কার্য সমাধা হয়।
Tags
Geography

