রাঢ়-সুষ্ম: প্রাচীন কালে জৈনরা উত্তর রাঢ়কে বজ্জ ভূমি (বজ্রভূমি) এবং দক্ষিণ রাঢ়কে সুবভভূমি (সুভূমি) বলত। দুই রাঢ়ের মধ্যবর্তী সীমানা ছিল অজয় নদ। বর্তমান মুরশিদাবাদের পশ্চিমাংশ, বীরভূম, সাঁওতাল পরগনার কিছু অংশ এবং বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমার উত্তরাংশ উত্তর রাঢ়ের অন্তর্গত। অন্যদিকে বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী অঞ্চল ছিল দক্ষিণ রাঢ়। মহাভারতে ও কালিদাসের কাব্যে বর্ণিত আছে যে, ভাগীরথী ও কাসাই (কংসাবতী) নদীর মধ্যবর্তী এলাকাসহ সমুদ্র পর্যন্ত ছিল এর বিস্তৃতি।
গৌড়: বরাহমিহির তার রচনায় মুরশিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের পশ্চিমাংশকে গৌড় বলেছেন। তবে পুন্ড্রবর্ধন থেকে ওডিশার উপকূল পর্যন্ত বিরাট ভূভাগ শশাঙ্কের রাজত্বকালে গৌড়ের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় গৌড়ের সীমানা বেড়ে গিয়েছিল। অষ্টম ও নবম শতাব্দীতে সমগ্র পাল সাম্রাজ্যকেই গৌড় বলা হত। তবে ভাগীরথীর পশ্চিম তীরের মুরশিদাবাদই ছিল সেকালের গৌড়ের মূল এলাকা।
Tags
History
