● খ্রিস্টপূর্বাব্দ ও খ্রিস্টাব্দ :
মানুষ সাল হিসাবকে একটা নিয়ম-শৃঙ্খলার মধ্যে আনার চেষ্টা করে। এজন্য যিশুখ্রিস্টের জন্মের সময় ধরে অব্দ গণনাকেই শ্রেষ্ঠ উপায় বলে মেনে নেওয়া হয়। (যিশু) খ্রিস্ট + অব্দ = খ্রিস্টাব্দ। যিশুখ্রিস্টের জন্মের আগের সময়কে খ্রিস্টপূর্বাব্দ বলা হয়। যিশু (খ্রিস্ট-র আগে অর্থাৎ (পূর্ব)-এর সময় (অব্দ) = খ্রিস্ট + পূর্ব + অব্দ = খ্রিস্টপূর্বাব্দ। খ্রিস্টাব্দ ও খ্রিস্টপূর্বাব্দ গণনার ব্যাপারটা বেশ মজার। খ্রিস্টাব্দ গণনা করার নিয়ম হল ছােটো থেকে বড়াে সালের দিকে এগিয়ে যাওয়া। আর খ্রিস্টপূর্বাব্দ গণনা করতে হলে বড়াে থেকে ছােটো সালের দিকেপিছিয়ে যাওয়া।
যেমন, খ্রিস্টাব্দ 1- 2 - 3 - 4 খ্রিস্টপূর্বাব্দ 4-3-2 -1 খ্রিস্টীয় প্রথম শতক = যিশুখ্রিস্টের জন্মের পর থেকে একশাে বছর। খ্রিস্টীয় শতক গণনাতেও মজার ব্যাপার আছে। খ্রিস্টীয় শতক গণনার সময় একধাপ এগিয়ে গুনতে হবে। যেমন—যিশুর জন্মের সময় থেকে 100 বছর হল খ্রিস্টীয় প্রথম শতক।
সময় গণনার অন্যান্য নিয়মগুলি হল—
সহস্রাব্দ : হাজার বছরকে একসঙ্গে বলে-সহস্ৰ (হাজার) + অব্দ = সহস্রাব্দ।
শতাব্দ: একসঙ্গে একশাে বছর বলতে হলে শত (একশাে) + অ = শতাব্দ, শতাব্দী বা শতকও বলা যায়।
দশক : এক সঙ্গে দশ বছর বলতে হলে দশাব্দ না বলে দশ + এক = দশক বলা হয়।
Tags
History
