উত্তর গােলার্ধে গ্রীষ্মকাল: 21 মার্চের পর পৃথিবী ধীরে ধীরে তার কক্ষপথের এমন একটা জায়গায় আসে যে, সূর্যের আলাে ক্রমশ উত্তর গােলার্ধে খাড়াভাবে পড়ে। এর ফলে উত্তর গােলার্ধে দিনের দৈর্ঘ্য বা স্থায়িত্বকাল বাড়ে এবং রাতের দৈর্ঘ্য কমতে থাকে| অর্থাৎ সূর্যের উত্তরায়ণ ঘটে।
এরপর 21 জুন সূর্য এবং পৃথিবী পরস্পর এমন অবস্থানে থাকে যে—সূর্যের আলাে কর্কটক্রান্তিরেখার (23%° উ.) ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়। উত্তরমেরু সূর্যের দিকে ঝুঁকে থাকে। উত্তর গােলার্ধে সবথেকে বড়াে দিন (প্রায় 14 ঘণ্টা) এবং সবথেকে ছােটো রাত (মাত্র 10 ঘণ্টা) বিরাজ করে। সেইজন্য এই সময় উত্তর গােলার্ধে তাপমাত্রা বাড়ে ফলে গ্রীষ্মকাল হয়। 21 জুনের দেড় মাস আগে থেকে দেড় মাস পর পর্যন্ত উত্তর গােলার্ধে গ্রীষ্মকাল হয়।
এই সময় সুমেরুবৃত্তে 24 ঘণ্টা সূর্যকে দেখা যায়। আর কুমেরুবৃত্ত 24 ঘণ্টা অন্ধকারে থাকে। এইভাবে ওই সময় উত্তর গােলার্ধে গ্রীষ্মকাল এবং দক্ষিণ গােলার্ধে শীতকাল হয়।
Tags
Geography
