১.'ক' স্তম্ভের সাথে 'খ' স্তম্ভ মেলাও :
উত্তর:
২. সত্য মিথ্যা নির্ণয় করো:
ক) 'সংবাদ
প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর:
মিথ্যা ।
সঠিক উত্তর:
'সংবাদ প্রভাকর' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
খ) ' সর্বধর্ম
সমন্বয় ' এর আদর্শ প্রচার করেছিলেন রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব।
উত্তর:
সত্য।
গ) সুই
মুন্ডা ছিলেন কোল বিদ্রোহের নেতা।
উত্তর:
সত্য ।
৩. দুটি বা তিনটি বাক্যে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর
দাও :
ক) ইন্টারনেট ব্যবহারের দুটি সুবিধা লেখ ।
উত্তরঃ
স্যাটেলাইট-নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থা ' ইন্টারনেট ' মানব সভ্যতার দৈনন্দিন জীবনে অনেক
কাজে লাগে। এর দুটি ব্যবহার হল -
i) তথ্যের সহজলভ্যতা : ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে
বসে থেকেই পুরো বিশ্বের অসংখ্য তথ্য নিমেষের মধ্যে জানা যায় । ইন্টারনেট থেকে খুব সহজেই
বহু তথ্য সংগ্রহ করে ইতিহাস রচনা করা যায় ।
ii) সময়ের সাশ্রয় : বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে বই বা অন্যান্য উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা খুবই সময় সাপেক্ষ, কিন্তু ইন্টারনেটের সাহায্যে খুব অল্প সময়েই সেই সব তথ্য খুব সহজেই সংগ্রহ করা যায় ।
খ) ডেভিড হেয়ার কেন স্মরণীয় ?
উত্তরঃ
বাংলার মাটিতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের ইতিহাসে স্কটল্যান্ডের ডেভিড হেয়ার একটি স্মরণীয়
নাম। ১৮১৬ সাল থেকে তিনটি এদেশে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের সাথে জড়িয়ে পরেন এবং ১৮১৭
সালে ২০ শে জানুয়ারি কলকাতায় হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর চিন্তাধারায় যুক্তিবাদ,
স্বাধীন মনোভাব ও ধর্মনিরপেক্ষতার বৈশিষ্ট্য বাংলার সমাজে নতুন জাগরণ সৃষ্টি করে ।
গ) ' বারাসাত বিদ্রোহ ' কি ?
উত্তরঃ
কোম্পানির শাসনে জর্জরিত হয়ে মীর নিশার আলি বা তিতুমির কৃষক সম্প্রদায়কে দলবদ্ধ করেন।
অসাধারন সংগঠন শক্তির অধিকারী তিতুমির সুদখোর মহাজন, নীলকর ও জমিদারদের হাতে নির্যাতিত মুসলিমদের নিয়ে এক বিরাট সংগঠন গড়ে তোলেন।
জমিদার, নীলকর ও সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সমবেত হয়। জমিদার কৃষ্ণদেবের সাথে সংঘর্ষ হওয়ার
পর, তিনি বারাসাত- বসিরহাটের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ইংরেজ রাজত্বের অবসান ঘোষণা করেন। বাদুড়িয়ার
দশ কিলোমিটার দূরে নারকেলবেড়িয়া গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা তৈরি করে সেখানে তাঁর সদর
দপ্তর স্থাপন করেন। তিনি টাকি, গোবরডাঙ্গা প্রভৃতি স্থানের জমিদারদের কাছ থেকে কর দাবী
করা শুরু করেন। এই ঘটনা বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত ।
৪. সাত বা আটটি বাক্যে উত্তর দাও :
প্রাচ্য-পাশ্চাত্য শিক্ষা বিষয়ক দ্বন্দ্ব সম্পর্কে সংক্ষেপে
আলোচনা করো ।
উত্তরঃ
ইংরেজ শাসনের সূচনা লগ্নে কোম্পানি ভারতে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারের বিরোধী ছিল। তারা
মনে করত যে, ইংরাজি শিক্ষায় শিক্ষিত হলে ভারতবাসীর মনে স্বাধীনতার স্পৃহা বৃদ্ধি পাবে
এবং যার ফলে হয়তো ভারত কোম্পানির হাতছাড়া হয়ে যাবে। এই কারণে কোম্পানি ভারতে সংস্কৃত
ও আরবি-ফারসি শিক্ষাতেই উৎসাহ দিত। প্রাচ্যবিদ্যার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন বড়োলাট ওয়ারেন
হেস্টিংস, হল্ট ম্যাকেনজি, হেনরি প্রিন্সেপ। ওয়ারেন হেস্টিংস আরবি-ফরাসি ও মুসলিম আইনচর্চার
উদ্দেশ্যে ১৭৮১ সালে কলকাতা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন, স্যার উইলিয়াম জোন্স প্রাচ্যবিদ্যা
চর্চার উদ্দেশ্যে ১৭৮৪ সালে কলকাতায় এশিয়াটিক সোসাইটি গড়ে তোলেন এবং এছাড়াও আরও অনেকে
এই উদ্যোগে সামিল হন।
অপরদিকে,
চার্লস গ্রান্ট, টমাস ব্যাবিংটন মেকলে প্রমুখ পাশ্চাত্যবাদীরা মনে করতেন যে, ইংরেজি
ভাষার মাধ্যমে পাশ্চাত্য বিদ্যা চর্চাই ভারতের পক্ষে মঙ্গলজনক। তারা মনে করতেন ইংরেজি
শিক্ষার বিস্তার ঘটলেই ভারতীয়দের পচনশীল সমাজ ও অধঃপতিত নৈতিকতা উন্নত হবে। কোম্পানি
তাদের স্বার্থে ঘা লাগার ভয়ে সেদিনও তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি ।


