Model Activity Task Answers Bengali Class 10 Part -4 (2021)

Model Activity Task Answers Bengali Class 10 Part -4 (2021)

১। ঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখোঃ

১.১ তপনের লেখা যে গল্পটি ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল ---

উত্তরঃ (গ) প্রথম দিন

১.২ পাঠ্য ‘অসুখী একজন’ কবিতাটির অনুবাদক ---

উত্তরঃ (খ) নবারুন ভট্টাচার্য

১.৩ ‘আফ্রিকা’ কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের যে কাব্যগ্রন্থে রয়েছে ---

উত্তরঃ (গ) পত্রপুট

১.৪ ‘বাবু কুইল ড্রাইভারস’ কথাটি বলতেন ---

উত্তরঃ (খ) লর্ড কার্জন  

১.৫ যে কাব্যগ্রন্থটি শঙ্খ ঘোষের লেখা নয় --

উত্তরঃ (ক) দিন ও রাত্রি


২। কম-বেশি ২০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখোঃ

২.১ কোন কথাটি শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল ?

উত্তরঃ তপন বালক বয়সে কোনদিন কোনও লেখককে স্বচক্ষে দেখেনি, তাই সে যখন শুনল যে, তার সদ্য বিবাহিতা ছোটোমাসির স্বামী অর্থাৎ, তার নতুন মেসো একজন লেখক, তখন তার বিস্ময়ে তার চোখ মার্বেলের মতো হয়ে গেল ।

২.২ ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি পাবলো নেরুদার কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ?

উত্তরঃ  ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি চিলির প্রখ্যাত কবি পাবলো নেরুদার ‘Extravagaria’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা । 

২.৩ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক ছেলেবেলায় কার লেখা জ্যামিতি পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ?

উত্তরঃ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক ছেলেবেলায় ব্রহ্মমোহন মল্লিকের লেখা জ্যামিতি বই পড়েছিলেন।

২.৪ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় দিনের অন্তিমকাল কীভাবে ঘোষিত হয়েছিল ?

উত্তরঃ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় দিনের অন্তিমকাল অশুভ ধ্বনিতে ঘোষিত হয়েছিল ।

২.৫ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবি ‘পায়ে পায়ে হিমানির বাঁধ’ বলতে কি নির্দেশ করেছেন ?

উত্তরঃ ‘পায়ে পায়ে হিমানির বাঁধ’ বলতে দুর্লঙ্ঘ প্রতিবন্ধকতাকে বুঝিয়েছেন বা নির্দেশ করেছেন ।

 

৩। প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কম-বেশি ৬০টি শব্দের মধ্যে উত্তর লেখোঃ

৩.১ ‘ওর হবে ।’ – বক্তা কে ? কেন তার এমন মনে হয়েছে ?  

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি আশাপূর্ণা দেবী রচিত ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে, আলোচ্য বাক্যটির বক্তা হলেন তপনের মেসোমশাই । গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র তপন নামের একটি বালক যখন জানতে পারে তার নতুন মেসো মশাই একজন লেখক তখন তার থেকে অনুপ্রানিত হয়ে সেও গল্প লেখার জন্য উৎসাহিত হয়ে ওঠে । একদিন দুপুরবেলা সকলে যখন ঘুমে নিথর, তখন তপন খাতা আর কলম নিয়ে তিন তলার সিঁড়ির উঠে গেল এবং আস্ত একটি গল্প লিখে ফেলল । গল্পটি লেখার পর তার ছোটো মাসিকে দেখালে ছোটোমাসি সেই গল্পটি তার মেসোমশাইের মাধ্যমে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপানোর কথা বলেন, ছোটোমাসির এই কথার উত্তরে তপনের মেসোমশাই বলেন ‘ওর হবে’ ।

৩.২ ‘অসুখী একজন’ কবিতায় কার মাথার উপর বছরগুলি কেন পর পর পাথরের মতো নেমে এসেছিল ?

উত্তরঃ কবি পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতার কথক তার প্রিয় আবাসভূমি ত্যাগ করে চলে যাওয়ার তার ওপর বছরগুলি ভারী পাথরের মতো নেমে এল । কবি যখন দূরে, অনেক দূরে তখন ক্রমে তার প্রিয় আবাসভূমিতে, চারপাশে অনেক কিছু বদলে যেতে শুরু করে । এরই একটি হল অপশ্রিয়মান বছরগুলির মাথার ওপর পাথরের মত ভার নিয়ে নেমে আসা । এ হল অবস্থার সমকালীন পরিবর্তন । দেশ তার প্রিয় সন্তানকে দূরে সরিয়ে রেখে সুখী নয় বলেই যেন, বছরগুলি ক্রমে ভারী পাথর হয়ে তার মাথার উপর নেমে আসে ।

৩.৩ ‘আমরা ভিখারি বারোমাস ।’ – ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় কবির এমন মন্তব্যের কারন বিশ্লেষণ কর ।

উত্তরঃ কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতা থেকে উদ্ধৃত লাইনটি নেওয়া হয়েছে । কবিতায় কবি বারোমাস ভিখারি জীবনের স্বরূপটি তুলে ধরেছেন, তা হল ---

কবি শঙ্খ ঘোষ রচিত 'আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি' কবিতা থেকে উদ্ধৃত লাইনটি নেওয়া হয়েছে । কবিতায় কবি বারোমেসে ভিখারী জীবনের যে স্বরূপটি তুলে ধরেছেন, তা হল- আত্মসর্বস্ব মানুষের শুধু নিজের স্বার্থ পূরণের এক প্রবল মনোবাসনা বা আকাঙ্খা পূরণ । সমাজ ও রাষ্ট্রের নরঘাতী স্বরূপটিকে বুঝেও আজ আমরা নির্বিকার । বেঁচে থাকার জন্য আজ আমাদের চোখ মুখ ঢাকা । আমরা নির্বিবাদে সব কিছু সহ্য করে পরমুখাপেক্ষী কোনোক্রমে জীবন ধারণের ভিক্ষুকদশা গ্রহণ করেছি । এইভাবে পারিপার্শ্বিক জগৎ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আত্মকেন্দ্রিক ও গৃহসুখী মানসিকতাকেই কবি ভিখারির মতো দিন অতিবাহিত করা বলতে চেয়েছেন । আসলে আমরা মেরুদন্ডহীন হওয়ায় প্রতিনিয়ত ঘটে চলা বিপর্যয় ও বিশৃঙ্খলা গা বাঁচিয়ে এড়িয়ে চলি । আমাদের এই হীন মনোবৃত্তিকে তুলে ধরার জন্য কবি আধুনিক জীবনকে ভিখারি বারো মাস বলেছেন ।

৩.৪ উদ্‌ভ্রান্ত সেই আদিম যুগের কথা ‘আফ্রিকা’ কবিতায় কীভাবে উল্লিখিত হয়েছে ?

উত্তরঃ আদিম যুগে মহাবিশ্ব তথা আমাদের পৃথিবী ছিল অশান্ত । ধীরে ধীরে তা শান্ত হয়, সেসময় সবকটি মহাদেশ ছিল একই ভূখণ্ডের অন্তর্গত । এর পর বিভিন্ন মহাদেশ এই মূল ভূখণ্ড থে আলাদা হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র মহাদেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে । এই বার বার রদবদলকে ‘স্রষ্টার নিজের প্রতি অসন্তোষ নতুন সৃষ্টিকে বিদ্ধস্ত’ করা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন । ‘প্রাচী’ কথার অর্থ হল পূর্ব দিক । প্রকৃতির খেয়ালে আফ্রিকা মূল ভূখণ্ড থেকে পশ্চিম দিকে সরে যায় । প্রসঙ্গত ভারতবর্ষ ও আফ্রিকা পূর্বে সংযুক্ত ছিল বলে অনুমান করা হয় ।

৩.৫ ‘আমি যেখানে কাজ করি সেটা লেখালেখির আপিস’ – সেই আপিসের চিত্র লেখক কীভাবে উপস্থাপিত করেছেন ?

উত্তরঃ আলোচ্য অংশটি কবি শ্রীপান্থ এর লেখা ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে, লেখক শ্রীপান্থ পেশায় একজন চাকুরীজীবী । তিনি যেখানে কাজ করেন সেটা লেখালেখির আপিস, প্রাবন্ধিকের ভাষায় সবাই এখানে লেখক কিন্তু লেখকের চোখে ধরা পড়েছে অন্য ছবি ।

তিনিই একমাত্র ব্যাক্তি যিনি অফিসে কলম ব্যবহার করেন । বাকিরা সবাই কাজ করেন কম্পিউটারে, ফলে তাদের কলম প্রয়োজন নেই । কবি শ্রীপান্থ বলেছেন একদিন যদি অফিসে কলম নিয়ে যেতে ভুলে যায়, তাহলেই বিপদ কারন সেখানে কারো কাছে কলম নেই, সবাই কম্পিউটারে কাজ করে । অফিসের এই চিত্রটি লেখক শ্রীপান্থ ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে উপস্থাপিত করেছেন ।


৪। নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো (কমবেশি ১৫০ শব্দ)

৪.১ পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনা ঘটে কোন ঘটনাকে কেন অলৌকিক অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে? সেই ঘটনার প্রতিক্রিয়া কি হয়েছিল, ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্প অনুসরনে বুঝিয়ে দাও ।

উত্তরঃ আশাপূর্ণা দেবী রচিত “জ্ঞানচক্ষু” গল্পটিতে ছাপার অক্ষরে তপন কুমার রায়ের লেখা হাজার হাজার ছেলের হাতে ঘুরবে,এটাকেই অলৌকিক ঘটনা আখ্যা দেওয়া হয়েছে।  তপনের মধ্যে এমন ভাবনার উদয় হয়েছিল কারণ তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসা ছোটো মাসি আর মেসোর হাতে সন্ধ্যতারা পত্রিকা দেখে তপনের প্রত্যাশা করেছিল হয়ত তার গল্প পত্রিকার সংখ্যায় ছাপা হয়েছে ও সেই গল্প এবার হাজার হাজার ছেলে পড়বে।

অলৌকিক ঘটনার আনন্দ উদ্দিষ্ট ব্যক্তি উপভোগ করতে পারেনি কারণ তপন যখন বাড়িতে সমবেত সকল আত্মীয়ের সামনে পত্রিকায় প্রকাশিত নিজের লেখা রচনা পাঠ করা শুরু করে , সে অবাক হয়ে লক্ষ্য করে যে তার গল্পের প্রত্যেকটি লাইন আনকোরা, পাকা হাতের কারসাজিতে ভরপুর। তপনের লেখার মৌলিকতা সেখানে খুঁজে পাওয়া ভার। শুধু তাই নয়, সেই নিজের নামে অন্যের ‘কারেকশান’ করে দেওয়া গল্প পাঠ করার পর সবাই যখন ধন্য ধন্য করে তখন তপন আর মেনে নিতে পারে না। তার মন ভেঙে যায়। তাই পত্রিকায় তার গল্প প্রকাশিত হলেও তপন সেই আনন্দ উপভোগ করতে পারে না।

৪.২ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা? কবিতায় এই আহ্বান ধ্বনিত হয়েছে কেন ?

উত্তরঃ ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতাটি সমসাময়িককালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শঙ্খ ঘোষের ‘জলই পাষাণ হয়ে আছে’ কাব্যসঙ্কলন থেকে গৃহীত হয়েছে । আধুনিককালের খ্যাতনামা কবি শঙ্খ ঘোষের একটি অন্যবদ্য কবিতা হল ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ আলোচ্য কবিতায়

যুদ্ধ বিধ্বস্ত পৃথিবীতে সাধারন মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই এবং হাতে হাত রেখে সব প্রতিকুলতা অতিক্রম করার কথা বলা হয়েছে । কবিতার শুরুতেই এক সংকটময় পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়েছে । অসহায় সাধারন মানুষ প্রত্যক্ষ করেছে যে, তাদের ডানদিকে ধ্বস, বাঁদিকে গিরিখাত, মাথার উপর বোমারু বিমান এবং পায়ের তলায় হিমানির বাঁধ । অর্থাৎ যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই । আবার যুদ্ধের ফলে তারা গৃহহারা হয়েছে । তারা দেখে যে তাদের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শিশুদের শবদেহ । নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এইভাবে শেষ হতে দেখে তাদের মনে প্রশ্ন জাগে – ‘আমরাও তবে এইভাবে/এ- মুহূর্তে মরে যাব না কি?’ এই সংকটের মুহূর্তের সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে, হাতে হাত রেখে বাঁচার সংকল্প করে । এইসব সাধারন মানুষ নামপরিচয়হীন । ইতিহাসেও তাদের কোনো উল্লেখ নেই । চারিদিকে মৃত্যুর হাতছানি দেখে তাদের ভ্রম হয় যে পৃথিবী বেঁচে আছে কিনা । তবে, হতাশাই শেষ কথা নয়, যুদ্ধের বিভীষিকা অতিক্রম করে যারা এখনো বেঁচে আছে, তারা সকলে আবার হাতে হাত রেখে থাকার শপথ নেয় ।

৪.৩ দস্যুরা কীভাবে আফ্রিকার ইতিহাসে চিরছিহ্ন এঁকে দিয়ে গিয়েছিল, তা ‘আফ্রিকা’ কবিতা অনুসরনে আলোচনা কর ।

উত্তরঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় আফ্রিকার ওপর সাম্ব্রাজ্যবাদী শাসকদের অত্যাচার ও শোষণ- বঞ্চনার কাহিনিকে বর্ণনা করেছেন । প্রাকৃতিকভাবে দুর্গম আফ্রিকা দীর্ঘসময় ইউরোপীয় শক্তিগুলির নজরের বাইরে ছিল । কিন্তু উনিশ শতকে ইউরোপীয়রা আফ্রিকায় উপনিবেশ স্থাপন শুরু করে । এই শতকের শেষে প্রায় পুরো আফ্রিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উপনিবেশে পরিণত হয় । এইসব তথাকথিত সভ্য রাষ্ট্রশক্তি আফ্রিকার মানুষদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালাত । তাদের নির্লজ্জ লোভ যেন বর্বরতার রুপ ধরে আত্মপ্রকাশ করেছিল, ক্ষতবিক্ষত হয়েছিল আফ্রিকার মানুষ, তাদের রক্ত আর চোখের জলে কর্মদাক্ত হয়েছিল আফ্রিকার মাটি । সাম্ব্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রনায়কদের কাঁটা- মারা জুতোর নীচে বীভৎস কাদার পিণ্ড যেন চিরকালের মতো অত্যাচারের চিহ্ন রেখে গিয়েছিল ।

৪.৪ ‘জন্ম নিল ফাউন্টেন পেন।’- ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনা অবলম্বনে ফাউন্টেন পেনের জন্ম বৃত্তান্ত আলোচনা কর ।

উত্তরঃ ফাউন্টেন পেন – এর পূর্বনাম ছিল ‘রিজার্ভার পেন’ । একেই উন্নত করে ‘ফাউন্টেন পেন’ – এর রুপদান করা হয়েছিল । ফাউন্টেন পেন –এর স্রস্থা ছিলেন লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান নামে জনৈক ব্যবসায়ী । কথিত আছে যে, তিনি একবার অন্য আরেকজন ব্যবসায়ীর সাথে চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করতে যান । কিন্তু চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করাকালীন দোয়াতে রাখা কালি কাগজের উপর উল্টে পড়ে যায় । এর ফলে ওয়াটারম্যানকে কালি সংগ্রহের জন্য পুনরায় বাইরে যেতে হয় । কিন্তু তিনি ফিরে এসে শোনেন যে, ইতিমধ্যে অন্য এক তৎপর ব্যবসায়ী চুক্তিপত্র স্বাক্ষর করে চলে গেছেন, বিমর্ষ ওয়াটারম্যান সেদিনেই এর একটা বিহিত করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন । দোয়াতে রাখা কালির জন্য ঘটা এই দুর্ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সেই উদ্দেশ্যে ওয়াটারম্যান রিজার্ভার পেন নিয়ে নানান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন এবং পূর্বোক্ত কলমের উন্নত সংস্করণ ‘ফাউন্টেন পেন’ –এর আবিষ্কার করেন । এইভাবে লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান হাত ধরে ‘ফাউন্টেন পেন’  জন্মলাভ করেছিল ।

৪.৫ ‘তারপর যুদ্ধ এল।’- কীসের মতো যুদ্ধ এল? তার কি পরিণতি ঘটল ?

উত্তরঃ কবি পাবলো নেরুদা রচিত ‘অসুখী একজন’ কবিতাটি একটি যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে । কবির মতে, সেই যুদ্ধ এসেছিল ‘রক্তের এক আগ্নেয় পাহাড়ের মতো’ ।আগ্নেয় পাহাড় থেকে লাভা নিঃসরণের ফলে যেমন মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, কবিতায় উল্লেখিত যুদ্ধের প্রকৃতি ছিল তেমনি ভয়াবহ, তেমনি সর্বগ্রাসী । যুদ্ধের ফলে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, এমনকি শিশুরাও এর হাত থেকে রেহাই পায়নি । কথকের শহর পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল । যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে শহরের অবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিল । কিন্তু যুদ্ধের পরে চেনা শহরের ছবিটা পাল্টে গিয়েছিল । কবি যুদ্ধটাকে ‘রক্তের এক আগ্নেয় পাহাড়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন । আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে যেমন মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু পুড়ে ছারখার হয়ে যায়, তেমনি যুদ্ধের ফলে সমস্ত সমতলে আগুন ধরে গেল, বহু নিরীহ মানুষ প্রান হারাল, এমনকি দেবতারাও টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙ্গে পড়ল মন্দির থেকে, আর কথকের সেই মিষ্টি বাড়ি এবং তার প্রিয় জিনিসগুলি সব চূর্ণ হয়ে গেল । শহর জুড়ে ছড়িয়ে রইল কাঠকয়লা, দোমড়ানো লোহা এবং পাথরের মূর্তির বীভৎস মাথা । রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ শহরের বুকে দগদগে ক্ষতের মতো ‘‘রক্তের একটা কালো দাগ’ এঁকে দিয়ে গেল ।

৫। নির্দেশ অনুযায়ী উত্তর দাওঃ

৫.১ অনুসর্গ হল একপ্রকার ----

উত্তরঃ (ঘ) অব্যয় পদ

৫.২ বিভক্ত কখনোই লুপ্ত হয় না ---

উত্তরঃ (গ) সম্বন্ধ পদে

৫.৩ নির্দেশকের একটি উদাহরন হল ----

উত্তরঃ (ঘ) গুলি

৬। বঙ্গানুবাদ করো

Home is the first School where the Child learns his first lesson. He sees, hears and begins to learn at home. It is home that builds his Character. In a good home honest and healthy men are made.

উত্তরঃ গৃহই হল প্রথম বিদ্যালয় যেখানে শিশু তার প্রথম পাঠ গ্রহণ করে। সে দেখে, শুনে এবং গৃহেই শিখতে শুরু করে। উত্তম গৃহে সৎ এবং স্বাস্থ্যবান মানুষ তৈরি হয়। গৃহের কুপ্রভাব একটি শিশুকে নষ্ট করে দেয়।

      

  

 

 

 

 

Lob (Admin)

This site was launched on March 1, 2019. Today it is appreciated by millions of students. This site has changed a lot in the last two years and I have tried to do better every time.

Please Do Not Enter Any Span Link in The Comment Box

Previous Post Next Post

نموذج الاتصال