1) পৃথিবীতে কখন সর্বনাশ নেমে আসে?
উঃ হিংসায় উন্মত্ত হয়ে, ক্রোধে অন্ধ হয়ে, প্রলােভনে মত্ত হয়ে দিগ্বিদিক শূন্য মানুষ হানাহানি, রক্তপাতে মেতে ওঠে। এটাই পৃথিবীর বুকে নিজেদের মধ্যে ভয়ংকর সর্বনাশ ডেকে আনে।
2) ‘খেয়া’ কবিতায় কবি পৃথিবীতে নতুন নতুন কী গড়ে ওঠে বলেছেন?
উঃ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, পৃথিবীতে নতুন নতুন ইতিহাস গড়ে ওঠে। কবির মতে,রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটে পৃথিবীতে।
3) কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে খেয়া’ কবিতাটি গৃহীত?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় পর্বের কাব্যগ্রন্থ “চৈতালি থেকে পাঠ্য ‘খেয়া' কবিতাটি গৃহীত। এটির প্রকাশকাল ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দ।
4) খেয়ানৌকা নদীস্রোতে কী করে?
উঃ নদীর দুই পারের মানুষকে নানা প্রয়ােজনে নদীস্রোতে পারাপার করে খেয়ানৌকা।
5) নব নব তৃষ্ণা ক্ষুধায় কী পাওয়া যায় ?
উঃ রবীন্দ্রনাথের ‘খেয়া’ কবিতা থেকে জানা যায়- নব নব তৃষ্ণা ক্ষুধায় হলাহল ও সুধা অর্থাৎ বিষ ও অমৃত উঠে আসে।
6) খেয়ানৌকা কী ? সেটি কাদের পারাপার করে ?
উঃ নদী বা খালে ছােটো নৌকা বা ডিঙি কড়ির বিনিময়ে যাত্রী পারাপার করে, তাকে খেয়ানৌকা বলে।
‘খেয়া' কবিতায় চিত্রিত নদীর দুই পারে অবস্থিত গ্রাম দু’টির মানুষগুলােকে এই খেয়ানৌকাই পারাপার করে। যাত্রীরা কেউ আপন ঘরে ফেরে, কেউ-বা নিজের ঘর হতে অন্যত্র যায় - এই পারাপার চলে নিরন্তর। একাকী নদীতটে বসে উদাস কবি রবীন্দ্রনাথ এই চিত্র অবলােকন করলেন।
7) কবিতায় ঘর’ কোন তাৎপর্য বহন করে?
উঃ কবিগুরু ‘খেয়া’ কবিতায় খেয়ানৌকায় যাত্রীদের গমনাগমন প্রসঙ্গে ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। নবীন আর প্রবীণে ভিড় করা খেয়ানৌকার যাত্রীদের একদল ঘর থেকে কাজে যায়, আবার অন্য দল কাজ সেরে বাসায় ফেরে; ঘর এখানে একই সঙ্গে জগৎসংসারকেও বােঝায়।
8) “সভ্যতার নব নব কত তৃষ্ণা ক্ষুধা”- উক্তিটির তাৎপর্য বর্ণনা করাে।
উঃ মানবসভ্যতার ইতিহাসে বরাবরই প্রাধান্য পেয়েছে উন্নতির লাগামছাড়া নেশা। এই নেশা আসলে মানুষের, প্রকৃতি ও পরিবেশের সর্বনাশ ডেকে আনে। যুগে যুগে মানুষ এই ক্ষতির কথা ভেবে সভ্যতার উন্নতির চেষ্টা করে গেছে। কবি একেই সভ্যতার নব নব তৃষ্ণা ক্ষুধা বলেছেন। আর এর পরিণতিতে মানুষ ভালাে-মন্দ, অমৃত-বিষ দুই-ই পেয়েছে।
Tags
Bengali
