উত্তর: ১৯৩৭ খ্রিস্টাব্দে শান্তারামের ‘দুনিয়া না মানে', মাস্টার বিনায়কের ‘ব্রষ্মচারী’তে বিবাহের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়টি ফুটে ওঠে। প্রমথেশ বড়ুয়ার ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রটির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। হিমাংশু রায়ের ‘অচ্ছুত কন্যা’ একটি অস্পৃশ্যতা বিরোধী চলচ্চিত্র। কে. সুব্রত্মনিয়মের ‘বালযোগিনী’তে অল্পবয়স্কা বিধবাদের দুর্দশার কাহিনি ফুটে উঠেছে।
Tags
History
