বাঘ কবিতার প্রশ্ন উত্তর | নবনীতা দেবসেন

 ১.১ নবনীতা দেবসেনের প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম কী ?

উত্তর: নবনীতা দেবসেনের প্রথম প্রকাশিত বইয়ের নাম ‘প্রথম প্রত্যয়’।

১.২ তাঁর লেখা একটি ভ্রমণকাহিনির নাম লেখো।

উত্তর: নবনীতা দেবসেনের লেখা একটি ভ্রমণকাহিনী ‘হে পূর্ণ তব চরণের কাছে’।

২.১ পাখিরালয়ের বাসায় কী পাওয়া যেত না?

উত্তর: পাখিরালয়ের বাসায় বাঘের খাওয়ার উপযোগী ছাগল, ভেড়া, হরিণ পাওয়া যেত না।

২.২  ছোট্টো বাঘ তার খিদে মেটানোর জন্য প্রথমে কী ধরতে গিয়েছিল ? 

উত্তর: ছোট্টো বাঘ তার খিদে মেটানোর জন্য প্রথমে পাখি ধরতে গিয়েছিল। 

২.৩ ছোট্টো বাঘের বাবা-মা বাসা বদলে কোথায় গিয়েছিল ? 

উত্তর: ছোট্টো বাঘের বাবা-মা বাসা বদলে সজনেখোলা চলে গিয়েছিল।

২.৪ সুন্দরবনের বাঘ কি নামে পরিচিত?

উত্তর: সুন্দরবনের বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগার নামে পরিচিত।

৩.১ “ভদ্র বাঘে হেথায় বাঁধে ডেরা” বাঘ ছানার এমন মনে হয়েছিল কেন ?

উত্তর: বাঘের ছানার এমন মনে হয়েছিল কারণ বাঘের উপযোগী কোনো খাবার অর্থাৎ ভেড়া, ছাগল, হরিণ পাখিরালয়ে পাওয়া যেতো না। সেখানে কেবল পাখিদেরই দেখা যায় এবং বাঘ পাখির বাচ্চা ধরে খেতে পারে না। কারণ ধরতে গেলেই পাখি কিচিরমিচির শব্দ করে উড়ে পালায়। তাই বাঘের ছানার মনে হয়েছিল যে ভদ্র বাঘ এখানে বাস করে না।

— Advertisement —

৩.২ ছোট্টো বাঘ পাখির ছানা ধরতে পারেনি কেন?

উত্তর: ছোট্টো বাঘ পাখির ছানা ধরতে পারে না। কারণ, পাখির ছানা একস্থানে বসে থাকে না। সে এক ডাল থেকে অন্য ডালে উড়ে বেড়ায়। যতবার ছোট্টো বাঘ পাখির ছানাকে খাবার জন্য ধরতে যায় ততবার সেটা কিচিরমিচির আওয়াজ তুলে উড়ে পালায়।

৩.৩ বাঘের ছানা গর্তে থাবা দিয়েই কেঁদে উঠেছিল কেন?

উত্তর: বাঘের ছানা গর্তে থাবা দিয়ে কেঁদে উঠেছিল। কারণ, গর্তের ভেতর কাঁকড়াদের আস্তানা ছিল। বাঘের ছানা কাকড়া ধরার জন্য গর্তের মধ্যে থাবা ঢুকিয়ে দিলে কাঁকড়া তার লাল রঙের দাঁড়া দিয়ে ছোট্টো বাঘের থাবা কামড়ে ধরেছিল। 

৩.৪ বাঘছানাকে বাবা কীভাবে কাঁকড়ার হাত থেকে রক্ষা করল?

উত্তর: বাঘের ছানা যখন কাকড়ার গর্তে নিজের ছোটো থাবা বাড়িয়ে কাঁকড়া ধরতে গেল, তখন কাঁকড়ার লাল দাঁড়ার আক্রমণে ছোট্টো বাঘ কেঁদে ফেলল। তার কান্না শুনে ছোট্টো বাঘের বাবা দৌড়ে নদীর ঘাটে এল। নিজের গোবদা নখের থাবা বাড়িয়ে কাঁকড়ার দাঁড়া ভেঙে দিল। এভাবেই ছোট্টো বাঘকে তার বাবা কাঁকড়ার হাত থেকে রক্ষা করল। 

৩.৫ বাঘ জননী লজ্জা পেয়েছিল কেন?

উত্তর: বাঘের ছানা কাঁকড়া ধরতে ব্যর্থ হয়। শেষে প্রচন্ড খিদে নিয়ে কাদায় মেনিমৎস্য ধরতে যায়। তখন বাঘের ছানার মা দারুণ লজ্জা পেয়ে যায়। সে বাঘ ছানাকে বলে যে, সে আসলে বাঘের ছানা সে ভোঁদড় নয় যে কাদায় মেনিমৎস্য খুঁজে বেড়াবে। কাদায় মাছ ধরাটা বাঘের পক্ষে লজ্জাজনক।

ব্যাঘ্র > বাঘমৎস্য > বৎস > 

উত্তর: 

ব্যাঘ্র > বাঘমৎস্য > মাছবৎস > বাছা

উত্তর: পাখির + আলয় = পাখিরালয়। 

কাঁদ্ + না = কান্না।

উত্তর: বন – জঙ্গল, অরণ্য। 

বোন – সহোদরা, ভগিনী। 

পাড়ে – নদীর ধারে।

পারে – সম্ভব। 

বাড়ি – ঘর, গৃহ। 

বারি – জল।

মন, শরীর, সব্বোনেশে, ভদ্র, এক, পেট, রাগ।

উত্তর:

বিশেষ্যবিশেষণ
মনমানসিক
শরীরশারীরিক
রাগরাগী
পেটপেটুক
বিশেষণ বিশেষ্য
সব্বোনেশেসব্বোনাশ
ভদ্রভদ্রতা
একএকক

৮.১ ভদ্র বাঘে হেথায় বাঁধে ডেরা। 

উত্তর: বাঘ + এ = বাঘে।

৮.২ পাখির সঙ্গে পেরে উঠবে নাকি? 

উত্তর: পাখি + র = পাখির।

৮.৩ ছোট্টো বাঘের মস্ত হলুদ বাবা।

উত্তর: বাঘ + এর = বাঘের।

৯.১ তার মনে মনে জমছে কেবল রাগ। 

৯.২ বাঘছানা কি ধরতে পারে পাখি? 

৯.৩ লালঠেঙো সব কাঁকড়া বেড়ায় হেঁটে।

উত্তর:

উদ্দেশ্যবিধেয়
৯.১ তারমনে মনে জমছে কেবল রাগ। 
৯.২ পাখিবাঘছানা কি ধরতে পারে?
৯.৩ লালঠেঙো সব কাঁকড়াবেড়ায় হেঁটে।

১০.১ কবিতাটিতে দেখলাম কাঁকড়ার দাঁড়া থাকে, তোমার দেখা আর যে প্রাণীর দাঁড়া আছে তার সম্পর্কে দু-একটি বাক্য লেখো।

উত্তর: কাঁকড়া ছাড়া আর যেসব প্রাণীর দাঁড়া থাকে তাদের মধ্যে অন্যতম হল কাঁকড়াবিছা। এরা হুল ফুটিয়ে শত্রুর দেহে বিষ ঢেলে তাকে নিস্তেজ বা হত্যা করতে পারে। এরা একসঙ্গে যেমন অনেক খাবার খেতে পারে, তেমনি না খেয়ে দীর্ঘদিন থাকতে পারে। এদের বিষ থেকে ওষুধ তৈরি হয়।

১০.২ ছোট্ট বাঘ ও তার বাবা-মা পাখিরালয়ে খাবারের অভাব থাকায় সজনেখালি চলে গিয়েছিল। সারা পৃথিবীতেই আজ মানুষ বন কেটে ফেলায়, নির্বিচারে প্রাণীদের মেরে ফেলায় শুধু বাঘ নয় সমস্ত প্রাণীদেরই খাবারের অভাব তৈরি হচ্ছে। কীভাবে এগুলো বন্ধ করে সমস্ত প্রাণীদের ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখা যায়, এ সম্পর্কে তোমার মতামত জানিয়ে একটি অনুচ্ছেদ লেখো।

উত্তর: আজ গোটা পৃথিবী জুড়ে বন্যপ্রাণীদের থাকার জায়গার খুব অভাব। বন্যপ্রাণীরা আজ তাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। মানুষ জঙ্গল কেটে সাফ করে ফেলছে। জনবসতি বাড়ছে কিন্তু বন্যপ্রাণীদের সংখ্যা কমছে। কারণ বন্যপ্রাণীরা না পাচ্ছে উপযুক্ত খাবার না পাচ্ছে উপযুক্ত বাসস্থান। ফলে বন্যপ্রাণীর দল পৃথিবীর বুক থেকে ধীরে ধীরে নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়ছে। আগে যত সংখ্যায় বন্যপ্রাণী ছিলো এখন আর তা নেই। বাঘ ছাড়াও বহু প্রাণী এখন ‘বিরল প্রজাতি’র হয়ে গেছে। তাছাড়া নির্বিচারে পশুহত্যার ফলেও আজ বহু প্রাণীরই পৃথিবীতে কোনো অস্তিত্ব নেই। পৃথিবীর মানুষের কাছে এদের কোনো চিহ্ন নেই। এর ফলে ‘ইকোলজিক্যাল ব্যালান্স’ নষ্ট হচ্ছে। অবিলম্বে গাছ কাটা বন্ধ, পশু হত্যা বন্ধ করা দরকার। বেশি সংখ্যায় অভয়ারণ্য গড়ে তুলতে হবে, চোরাশিকারীদের হাত থেকে পশুপাখিদের রক্ষা করতে হবে। এই বিষয়ে সরকারি আইনবিধিকে যথেষ্ট কঠোর হতে হবে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা জাগাতে হবে। আইনভঙ্গকারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তবেই প্রাণীদের বাঁচিয়ে রাখা যাবে।

Lob (Admin)

This site was launched on March 1, 2019. Today it is appreciated by millions of students. This site has changed a lot in the last two years and I have tried to do better every time.

Please Do Not Enter Any Span Link in The Comment Box

Previous Post Next Post

نموذج الاتصال