১.১ কবি রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি গীতিনাট্যের নাম লেখো।
উত্তর : ‘চন্ডালিকা’ রবীন্দ্রনাথের লেখা একটি গীতিনাট্য।
১.২ তোমাদের পাঠ্য কবিতাটি তাঁর কোন্ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া?
উত্তর : পাঠ্য কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের ‘চৈতালি’ নামক কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া।
২. নীচের প্রশ্নগুলির একটি বাক্যে উত্তর দাও :
২.১ কবির মনে আজ কী ভাবনা এসেছে?
উত্তর : নানা ছোটো কথা ও ছোটো গান কবির আজ মনে আসে।
২.২ যেতে যেতে নদীতীরে কবির চোখে কোন্ দৃশ্য ধরা পড়েছে?
উত্তর : যেতে যেতে নদীতীরে কবির চোখে পৃথিবীর শ্যামলরূপ ধরা পড়েছে।
২.৩ সবাই প্রতিমুহূর্তে কী কথা বলছে?
উত্তর : সবাই প্রতিমুহূর্তে বলছে যে তারা চলে যাচ্ছে।
২.৪ যা কিছু দেখেন কবি তাকেই ভালোবাসেন কেন?
উত্তর : কবি যা কিছু দেখেন তা অতি অল্প সময়ের জন্য দেখেন বলে কবি তাকে ভালোবাসেন।
২.৫ কবি কাদের ভাইবোনের সঙ্গে তুলনা করেছেন?
উত্তর : কবি দুঃখ এবং সুখকে ভাইবোনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
২.৬ গ্রামগুলি দেখে কবির কি মনে হয়েছে ?
উত্তর : গ্রামগুলি দেখে কবি ভাবেন, এই গ্রামগুলিকে ঘিরে কতোই না প্রেম জড়িয়ে রয়েছে।
২.৭ পৃথিবীর দিকে তাকালে কবির কি মনে হয়?
উত্তর : পৃথিবীর দিকে তাকালে কবির মনে হয়, ভালো-মন্দ, দুঃখ-সুখ, অন্ধকার-আলো— সবকিছু নিয়েই পৃথিবী সুন্দর ।
৩. নীচের বিশেষ্যগুলিকে বিশেষণে ও বিশেষণগুলিকে বিশেষ্যে রূপান্তরিত করো :
শ্যামল, দুঃখ, সুখ, করুণ, ছায়াময়, গ্রাম, উৎসুক, আলো।
উত্তর : শ্যামল (বি.)—শ্যামলীমা (বিণ.)। দুঃখ (বি.)—দুঃখিত (বিণ.)। সুখ (বি.)—সুখী (বিণ.)। করুণ (বি.)— করুণাময় (বিণ.)। ছায়াময় (বিণ.)— ছায়া (বি.)। গ্রাম (বি.)—গ্রাম্য (বিণ.)। উৎসুক (বিণ.) — ঔৎসুক্য (বি.)। আলো (বি.)—আলোকিত (বিণ)।
৪. শব্দ ঝুড়ি থেকে ঠিক শব্দ নিয়ে ছকটি সম্পূর্ণ করো। বেয়ে, প্রাণ,আমার, হেরি
উত্তর : বাহিয়া—বেয়ে। হেরি—দেখি। মোর—আমার। প্রাণ—পরান।
৫. দুটি বিপরীতার্থক শব্দ যুক্ত হয়ে একটি শব্দে পরিণত হওয়া শব্দগুলি কবিতা থেকে খুঁজে বের করো। ওই শব্দগুলি দিয়ে একটি করে বাক্য লেখো।
উত্তর : ভালো-মন্দ, দুঃখ-সুখ, আলো-অন্ধকার।
ভালো-মন্দ—সমাজে ভালো-মন্দ মিলিয়েই সব মানুষ থাকে।
দুঃখ-সুখ—দুঃখ-সুখের আবর্তে তার জীবন কেটে গেলো।
আলো-অন্ধকার—ঘটনা বহুল জীবনে আলো-অন্ধকার তো থাকবেই।
৬. নীচের বাক্যগুলির রেখাঙ্কিত অংশে কোন্ বচনের ব্যবহার হয়েছে লেখো :
৬.১ চোখে পড়ে যাহা কিছু হেরি চারিপাশে।
উত্তরঃ যাহা কিছু—বহুবচন।
৬.২ কুলে কুলে দেখা যায় শ্যামল ধরণী।
উত্তর : কুলে কুলে—বহুবচন।
৬.৩ ক্ষণকাল দেখি বলে দেখি ভালোবেসে।
উত্তরঃ দেখি—একবচন।
৬.৪ সবি বলে ‘যাই যাই’ নিমেষে নিমেষে
উত্তরঃ নিমেষে নিমেষে —বহুবচন।
৬.৫ যবে চেয়ে চেয়ে দেখি উৎসুক নয়ানে।
উত্তরঃ চেয়ে চেয়ে—বহুবচন।
৭. নীচের কবিতাংশটি ভেঙে পৃথক পৃথক বাক্যে লেখো :
যবে চেয়ে দেখি উৎসুক নয়নে/আমার পরান হতে ধরার পরানে/ভালোমন্দ দুঃখসুখ অন্ধকার-আলো/মনে হয়, সব নিয়ে এ ধরণী ভালো।
উত্তর : উৎসুক নয়নে চেয়ে দেখি আমার পরান হতে ধরার পরানে।
ভালোমন্দ সুখদুঃখ অন্ধকার-আলো নিয়ে এ ধরণী ভালো বলে মনে হয়।
৮. নিচের প্রশ্নগুলির নিজের ভাষায় উত্তর দাও :
৮.১ আমি যেন চলিয়াছি বাহিয়া তরণী’—এখানে ‘যেন’ শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়েছে লেখো।
উত্তরঃ জীবন সায়াহ্নে উপনীত কবি বয়সের বোঝা টানতে টানতে মনে হয় তিনি যেন তরণী বেয়ে চলেছেন। তিনি কল্পনায় যেন নৌকাতে করে নদীতে চলেছেন। তাই কবির কল্পনাময় অবস্থা বোঝানোর জন্য ‘যেন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৮.২ কবির কল্পনার নৌকাযাত্রায় কী কী দৃশ্য তিনি দেখেছেন?
উত্তর : কবির কল্পনার নৌকাযাত্রায় তিনি নদীর কুলেকুলে শ্যামল ধরণী, দুঃখ-সুখ দুই ভাই-বোনরুপী প্রাকৃতিক উপাদান, ছায়াময় গ্রাম, প্রভৃতি দৃশ্য দেখেছেন।
৮.৩ সুখ দুঃখকে কবির ভাইবোন মনে হয়েছে কেন ?
উত্তর : পৃথিবী সর্বদা প্রাকৃতিক নিয়মে আবদ্ধ। আর পৃথিবীর এই নিয়মাবদ্ধ জীবনে দুঃখ ও সুখ দুটি চরম সত্য। জগৎ সংসারে ভাই-বোন যেমন পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকতে পারে না, সুখও তেমনি দুঃখ ভিন্ন অবস্থান করতে পারে না। তাই সুখ-দুঃখকে কবির ভাইবোন মনে হয়েছে।
৮.৪ ‘মনে হয় সব নিয়ে এ ধরণী ভালো—কখন পৃথিবীকে ভালো মনে হয়? এরকম মনে হবার কারণ কী ?
উত্তর : সুখ-দুঃখের মাঝে যখন কবি এই পৃথিবীতেই তাঁর আশ্রয় খুঁজে পান। তখন পৃথিবীকেই তাঁর ভালো মনে হয়। পৃথিবীর বাগ্ময় রূপে মুগ্ধ কবি এর ছায়াময় গ্রামগুলির নির্জনতা, গ্রামকে আশ্রয় করে মানুষের প্রেম, ভালোবাসায় তাঁর এমন মনে হয় ।
৮.৫ ট্রেন, নৌকা বা দূরপাল্লার বাসে করে যেতে যেতে পথের দু’ধারে যা দেখেছো তার বর্ণনা দিয়ে একটি অনুচ্ছেদ লেখো।
উত্তর : নিজে করো।
