আদি বৈদিক যুগে ‘নিষ্ক’নামে স্বর্ণমুদ্রার প্রচলন থাকলেও এযুগে মুদ্রার প্রচলন নিতান্তই কম হওয়ায় সাধারণত বিনিময় প্রথার মাধ্যমেই ব্যাবসাবাণিজ্যের প্রচলন ছিল বেশি। বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে বৈদিক যুগে গােরুর জনপ্রিয়তা ছিল সবচেয়ে বেশি।
কৃষির সম্প্রসারণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী বৈদিক যুগে নতুন নতুন নগর গড়ে ওঠে।
পরবর্তী বৈদিক যুগে উত্তর-পূর্ব ভারতের কৌশাম্বী, কোশল, বৈশালী, রাজগৃহ, শ্রাবস্তী, বারাণসী প্রভৃতি বহু নগরের প্রতিষ্ঠা করা হয়। এইসব নতুন নতুন নগরে বিভিন্ন শ্রেণির কারিগর ও ব্যবসায়ী বসবাস শুরু করে।
এই সময় মুদ্রার ব্যবহার ব্যাপকভাবে শুরু হলে ব্যবসার শ্রীবৃদ্ধি ঘটে। বিভিন্ন নগরের মধ্যে রাস্তাঘাট নির্মাণের ফলে এযুগে যােগাযােগ ব্যবস্থার দারুণ উন্নতি ঘটে এবং বহু নতুন বাণিজ্য পথও আবিষ্কৃত হয়।
এই যুগে পূর্ব দিকে নেপাল থেকে পশ্চিমে পাঞ্জাব পর্যন্ত স্থানে ব্যাবসাবাণিজ্য চলত। বাণিজ্যের শ্রীবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে এযুগের নানান স্থানে ব্যবসায়ী সংঘ’ বা ‘গিল্ড’ গড়ে ওঠে।
Tags
History

