১)পুরুষতান্ত্রিক বৈদিক সমাজে পুত্রসন্তানের জন্ম বেশি কাম্য হলেও কন্যা সন্তানের লালনপালনে কোনাে ত্রুটি ছিল না।
২)আদি বৈদিক যুগে নারীদের সামাজিক অবস্থান ছিল অতি উচ্চ।
৩) এযুগের নারীদের পুরুষদের মতােই শিক্ষার সুযােগ ছিল। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আদি বৈদিক যুগের নারীরা যথেষ্ট উৎকর্ষের পরিচয় দেন—এযুগে অপালা, ঘােষা, মমতা, লােপামুদ্রাপ্রমুখ নারীরা জ্ঞানগরিমায় খ্যাতিলাভ করেছিলেন।
৪) বৈদিক নারীদের চরিত্রের মান ছিল উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ।
৫) বাল্যবিবাহ এযুগে অপ্রচলিত ছিল।
৬)পরবর্তী বৈদিকযুগে নারীর সামাজিক মর্যাদার অবনতি শুরু হয়। পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার থেকে নারীরা বঞ্চিত হয় এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কাজে যােগদানের অধিকারও তাঁরা হারান।
৭) এই যুগে বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, বিধবা-বিবাহ, এক নারীর একাধিক স্বামীর অস্তিত্ব এইসব কুপ্রথার প্রচলন শুরু হয়।
৮) অবশ্য নারীশিক্ষার সুযােগ এযুগে অব্যাহত থাকে। এই যুগের বিদুষী নারীদের মধ্যে মৈত্রেয়ী ও গার্গীর নাম উল্লেখযােগ্য।
Tags
History

