[১] সামাজিক অনুশাসন ও কঠোরতা : এই যুগে সামাজিক অনুশাসন কঠোর হয়। বর্ণভেদ প্রথা কঠোর হয় ও তা জন্মগতহয়। ব্রাত্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শূদ্র—এই চারটি শ্রেণির বাইরে যে জনগােষ্ঠী ছিল তারা ‘পঞ্চমগণ নামে পরিচিত হয়। এদের কোনও সামাজিক অধিকার দেওয়া হয়নি। সমাজে ব্রাত্মণ ও ক্ষত্রিয়ের ক্ষমতা, মর্যাদা ও প্রভাব যথেষ্ট পরিমাণে বৃদ্ধি পায় এবং বৈশ্য ও শূদ্রের মর্যাদা ক্রমশ কমতে থাকে। শূদ্রদের কোনও অধিকার ছিল না।
[২] নারীর মর্যাদা হ্রাস পূর্বের তুলনায় নারীর সামাজিক মর্যাদা কিছুটা ক্ষুন্ন হয়। সম্পত্তির অধিকার থেকে নারীকে বঞ্চিত করা হয়। রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কার্যে যােগদানের অধিকারও তারা হারান এবং বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, বিধবা বিবাহ, পণপ্রথা, এক নারীর একাধিক স্বামীর অস্তিত্ব এই সবের প্রচলন শুরু হয়। অবশ্য নারীর শিক্ষার সুযােগ এই যুগেও ছিল। এই যুগের বিদুষী নারীদের মধ্যে মৈত্রেয়ীও গার্গীর নাম উল্লেখ করা যায়। কথিত আছে, বিদুষী নারী হিসাবে গার্গীকে রাজা জনক তাঁর সভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।
Tags
History

