সুলতান রাজিয়া
ইলতুৎমিস মারা যাওয়ার পর অভিজাতরা ইলতুৎমিসের পুত্র রুকনউদ্দিন ফিরােজকে সিংহাসনে বসিয়ে দেন। কিন্তু রুকনউদ্দিন ফিরােজের অযােগ্যতায় সাম্রাজ্যে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। এই সুযােগে রাজিয়া অযােগ্য রুকনউদ্দিন ফিরােজকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন।
রাজিয়ার কৃতিত্ব:
1) শান্তিপ্রতিষ্ঠা: সিংহাসনে বসেই রাজিয়া
চারদিকের বিশৃঙ্খলা দূর করে শান্তিপ্রতিষ্ঠায় উদ্যোগী হন|
2) দক্ষ শাসন পরিচালনা: রাজকার্য পরিচালনা করা, নিয়মিত দরবারে উপস্থিত থেকে অভাব-অভিযােগের নিস্পত্তি করা, ঘােড়ার পিঠে চড়ে যুদ্ধ পরিচালনা করা ইত্যাদি সমস্ত কাজেই তিনি পুরুষের সমান দক্ষতা দেখান। তিনি নিজ মুদ্রায় ‘সুলতান’ শব্দটি ব্যবহার করতেন । 3) অভিজাতদের ক্ষমতা হ্রাস: রাজিয়া চল্লিশ চক্র বা বন্দেগান-ই-চিহলগানি’ নামে তুর্কি অভিজাতদের ক্ষমতা খর্ব করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন।
শেষ জীবন: নারীর শাসন অপমানজনক মনে করে অভিজাতরা রাজিয়ার বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ হন। তারা তাকে সিংহাসনচ্যুত করার ষড়যন্ত্র করেন| রাজিয়া অভিজাতদের মধ্যে ভাঙন ধরানাের চেষ্টা করেন। এই লক্ষ্যে তিনি বিদ্রোহী অভিজাতদের এক নেতা আলতুনিয়াকে বিয়ে করেন | কিন্তু শেষপর্যন্ত উভয়েই বিদেহীদের হাতে পরাজিত হন |
Tags
History
