উঃ একাধিক শারীরবৃত্তীয় কাজে অক্সিন অংশগ্রহণ করে। যেগুলি হল—
• কোশ বিভাজন : মাইটোসিস পদ্ধতিতে কোশ বিভাজনে অক্সিন অংশগ্রহণ করে। পার্শ্বমুকুলের বৃদ্ধি বন্ধ করে অগ্রমুকুলের বৃদ্ধি ঘটায়।
• কোশের আয়তন বৃদ্ধি : অক্সিনের প্রভাবে কোশের আয়তন বৃদ্ধি ঘটে।
• ক্যাম্বিয়াম বিভাজন: অক্সিনের প্রভাবে উদ্ভিদকলা ক্যাম্বিয়ামের কোশ বিভাজন ঘটে। উদ্ভিদের গৌণ বৃদ্ধিতে এই ঘটনা উল্লেখযােগ্য।
• জল শােষণ হার বৃদ্ধি : অক্সিনের প্রভাবে জাইলেম বাহিকার দ্বারা মূলের জলশােষণ হার বৃদ্ধি পায়।
• ফুলের ও পাতার মােচন নিয়ন্ত্রণ : অক্সিনের প্রভাবে ফুলের ডিম্বাশয় পরিপক্কতা লাভ করে ও নিষেক ছাড়াই ফল উৎপন্ন হয়। একে পার্থেনােকার্পি বলে। এ ছাড়া অক্সিন প্রয়ােগে পাতা ও ফলের কোশপ্রাচীর পাতলা ও ব্যাপনে সক্ষম থাকে বলে অকালমােচন রােধ হয়।
• ট্রপিক চলন : ফোটোট্রপিক ও জিওট্রপিক চলন অক্সিনের প্রত্যক্ষ প্রভাবে ঘটে। আলাের দিকে অক্সিন ঘনত্ব কম থাকে আর বিপরীত দিকে বাড়ে। ফলে কাণ্ড আলাের দিকে ও মূল অভিকর্ষের দিকে বৃদ্ধি পায়।
Tags
Life Science
