‘ মােঙ্গল’ শব্দ থেকেই মােগল বা মুঘল শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। তৈমুর লঙ-এর উত্তরপুরুষ বাবর ভারতবর্ষে মুঘল শাসনের সূচনা ঘটান। বাবরের পর হূমায়ুন দিল্লির সিংহাসনে বসেন। কিন্তু আফগান শাসক শেরশাহ হূমায়ুনকে পরাজিত করে পাঁচ বছরের জন্য দিল্লিতে আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তবে হুমায়ুনের অদম্য প্রচেষ্টার দরুন দিল্লিতে মুঘল সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটে। পরবর্তী সম্রাট আকবর ‘যুদ্ধ ও মৈত্রী’ নীতির সাহায্যে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেন। মুঘল সাম্রাজ্যের বিস্তারের লক্ষ্যে পরবর্তী দুই শাসক জাহাঙ্গির মধ্য এশিয়ায় এবং শাহজাহান উত্তরপশ্চিম সীমান্তে অভিযান চালান। ঔরঙ্গজেব দাক্ষিণাত্যে অভিযান চালিয়ে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ডেকে আনেন। মুঘল সাম্রাজ্যের স্থায়িত্ব বাড়ানাের লক্ষ্যে আকবর রাজপুতদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুললেও ঔরঙ্গজেব তা করেননি। মুঘল শাসনের অন্যতম কয়েকটি অঙ্গ ছিল মনসবদারি প্রথা, জায়গিরদারি প্রথা, জাবতি ব্যবস্থা, দীন-ইইলাহি প্রভৃতি। মুঘল প্রশাসনিক কাঠামােয় মুঘল অভিজাতদের সুনির্দিষ্ট স্থান ও ভূমিকা ছিল।
Tags
History
