ইলিয়াস শাহি বংশের অবদান ---
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে: শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ প্রতিষ্ঠিত বাংলার স্বাধীন সুলতানি প্রায় একশাে বছরেরও বেশি সময় স্থায়ী হয়েছিল। চিনের মিন সম্রাট, পারস্যের সম্রাট এবং মদিনার শাসকের কাছে ইলিয়াস শাহি সুলতানরা দূত পাঠিয়েছিলেন।
সামাজিক ক্ষেত্রে: ইলিয়াস শাহি সুলতানগণ বাংলায় হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সকলের জন্য এক ধর্মনিরপেক্ষ শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। দেওয়া হয়।
প্রশাসনিক ক্ষেত্রে: প্রশাসনের বিভিন্ন পদগুলিতে এইসময় যােগ্য হিন্দুদেরও নিয়ােগ করা শুরু হয়েছিল। হিন্দু জমিদারদের রাজস্ব আদায় এবং হিন্দু গ্রাম প্রধানদের গ্রামীণ শাসন পরিচালনার দায়িত্ব।
ধর্মীয় ক্ষেত্রে: মােল্লাদের প্রচারে এই সময় ইসলামের প্রসার ঘটে। তা ছাড়া সুফি সাধকদের সাম্যের বাণীতে আকৃষ্ট হয়ে নিম্নবর্ণের বহু নির্যাতিত হিন্দু ইসলাম গ্রহণ করে।
সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে: ইলিয়াস শাহি যুগের উল্লেখযােগ্য স্থাপত্যকীর্তি ছিল গৌড়ের পাণ্ডুয়ার ‘আদিনা মসজিদ’, ‘লােটন মসজিদ, ‘তাতিপাড়া মসজিদ’ প্রভৃতি। এ যুগেই চণ্ডীদাস রচনা করেন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য। কৃত্তিবাস ওঝা রচনা করেন শ্রীরাম পাঁচালি’ কাব্য আর মালাধর বসু রচনা করেন ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য।
Tags
History
