উত্তর : লেখা ও পড়ার ভিত্তিতে ইতিহাসের যুগকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যেমন—প্রাক্-ইতিহাস, প্রায়-ইতিহাস ও ইতিহাস।
প্রাক-ইতিহাস : লিখিত বিবরণের পূর্বে শুধুমাত্র প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান বা নিদর্শনের ভিত্তিতে যে ইতিহাস রচিত হয়েছে তা হল প্রাক্-ইতিহাস। অর্থাৎ বিশদে মানব বিবর্তনের সূচনাকাল থেকে লিখিত উপাদানের প্রাপ্তিকালের মধ্যবর্তী সময়কালকে প্রাক-ইতিহাস বলে। প্রাক্-ইতিহাস পর্ব প্রায় বিশ লক্ষ বছর আগে শুরু হয়ে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
প্রায়-ইতিহাস : লিখিত উপাদানের মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যে ইতিহাসের সূচনা ঘটেছে তা হল প্রায়-ইতিহাস। এই পর্বে লিপির ব্যবহার প্রচলিত হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তার পাঠোদ্ধার আজও সম্ভব হয়নি। যেমন—হরপ্পা সভ্যতার লিপির পাঠোদ্ধার আজও সম্ভব হয়নি। তাম্রযুগ থেকে শুরু করে লৌহযুগের সূচনাকাল পর্যন্ত প্রায়-ইতিহাস পর্ব।
ঐতিহাসিক যুগ : লিখিত উপাদানের আবির্ভাবের পরবর্তী সময় থেকে যে যুগ শুর হয়, তাই হল ইতিহাস পর্ব। অর্থাৎ, যে কালপর্বে লিপির পাঠোদ্ধার করা গেছে তাই হল ঐতিহাসিক যুগ। লৌহযুগ থেকেই বিশ্বে ঐতিহাসিক যুগের সূচনা হয়েছে।
Tags
History
