ভূমিকা : সুলতানি শাসনের শীর্ষে ছিলেন স্বয়ং সুলতান। তিনি ছিলেন রাষ্ট্রের সর্বশক্তির আধার।রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতা ছিল তার হাতে।
দিল্লির সুলতানদের সার্বভৌমত্নের নানান দিক -
স্বৈরাচারিতা: দিল্লির সুলতানগণ ছিলেন স্বৈরাচারী শাসক। রাষ্ট্রের শাসন, বিচার এবং সমরনীতি নির্ধারণ ও রূপায়ণে সুলতানই ছিলেন শেষ কথা।
ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে প্রচার: সুলতানগণ নিজেদেরকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে প্রচার করতেন। তারা ভেবেছিলেন প্রজারা সুলতানকে ঈশ্বরের মতােই ভয় ও ভক্তি করবে।
সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী: মৌখিকভাবে খলিফার অধীনতা স্বীকার করলেও প্রকৃতপক্ষে সুলতানরা সীমাহীন ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। রাষ্ট্রের যাবতীয় ক্ষমতা তাদের হাতে কেন্দ্রীভূত ছিল।
খুতবা পাঠ ও সিক্কা প্রবর্তন: সুলতানি আমলে মসজিদের ইমাম জুম্মার নামাজের সময় একটি ভাষণ বা খুতবা পাঠ করতেন। এই ভাষণে আল্লাহ্র মহিমা বর্ণনার পাশাপাশি ইমাম খলিফা ও সুলতানের নামও উচ্চারণ করতেন। তা ছাড়া সুলতানরা সিক্কা অর্থাৎ নিজেদের নামে মুদ্রা চালু করতেন।
জাঁকজমকপূর্ণ বাতাবরণ: রাজছত্র, রাজদণ্ড, সাহবান প্রভৃতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠা আঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে সুলতান বিরাজ করতেন। এতে সুলতানের সার্বভৌমত্ব প্রকাশিত হত।
Tags
History
