সূচনা: শেরশাহ মাত্র ৫ বছরের শাসনকালে এক সুষ্ঠু ও উন্নত শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। তার শাসনব্যবস্থার প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানবকল্যাণ।
শেরশাহের শাসনব্যবস্থার মানবিক দিক
[1] রাস্তা নির্মাণ: সাম্রাজ্যের বিভিন্ন স্থানের মধ্যে যাতায়াতের সুবিধার জন্য শেরশাহ বহু রাস্তা নির্মাণ করেন। এগুলির মধ্যে উল্লেখযােগ্য বাংলার সােনারগাঁ থেকে সিন্ধুপ্রদেশ পর্যন্ত নির্মিত রাস্তা ‘সড়ক-ই-আজম’ | বর্তমানে এই রাস্তাটির নাম গ্র্যান্ড ট্রাংক রােড।
[2] সরাইখানা নির্মাণ: পথচারীদের সুবিধার জন্য রাস্তার দুপাশে শেরশাহ গাছ লাগানাের ব্যবস্থা করেন এবং তাদের বিশ্রামের জন্য নির্দিষ্ট দূরত্ব অনুযায়ী সরাইখানা নির্মাণ করেন।
[3] ডাক ব্যবস্থার প্রবর্তন: শেরশাহ ঘােড়ার মাধ্যমে ডাকযােগাযােগ ব্যবস্থা নতুনভাবে চালু করেন। এর ফলে যােগাযােগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটে।
[4] উৎপাদিকা শক্তিনির্ভর রাজস্ব: উৎপাদিকা শক্তি অনুযায়ী জমিগুলিকে ভাগ করে শেরশাহ রাজস্ব নিতেন।
[5] পাট্টা: জমিতে কৃষকের অধিকারের স্বীকৃতি হল তার পাট্টা প্রদান।
[6] রাজস্ব মকুব: দুর্ভিক্ষ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে উৎপাদন ব্যাহত হলে রাজস্ব মকুব করা হত।
[7] বিচারের ধরন: শেরশাহের বিচারব্যবস্থা ছিল নিরপেক্ষ ও আধুনিক ।
Tags
History
