সূচনা: তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার-উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলায় অভিযান চালান (আনুমানিক ১২০৪-১২০৫ খ্রিস্টাব্দ)। ইখতিয়ার উদ্দিন নদিয়ার দখল নিলে নদিয়ায় শুরু হয় তুর্কি শাসন। ঐতিহাসিক মিনহাজউস-সিরাজের লেখা তবকাৎই নাসিরি গ্রন্থে বাংলায় তুর্কি আক্রমণের বিবরণ রয়েছে।
ইখতিয়ার-উদ্দিনের নদিয়া আক্রমণ: মিনহাজ-উস-সিরাজের লেখা তবকাৎইনাসিরি গ্রন্থ এবং ইসমির লেখা ‘ফুতুহ-উসসালাতিন' গ্রন্থ থেকে জানা যায় বখতিয়ার খলজি প্রথমে বিহার জয় করেন। এরপর তিনি তুর্কি বণিকের ছদ্মবেশে ১৭ (মতভেদে ১৮) জন অশ্বারােহী সেনা নিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে বাংলার রাজধানী নদিয়া বা নবদ্বীপে এসে পৌঁছােন দুপুরে রাজা ও
তার রক্ষীরা স্নান-আহারে ব্যস্ত থাকার সুযােগ নিয়ে বখতিয়ার খলজি ও তার সেনারা প্রাসাদে ঢুকে পড়ে।
লক্ষ্মণ সেনের পলায়ন: বখতিয়ার খলজির মূল সেনাবাহিনী নগরে প্রবেশ করে লুঠতরাজ শুরু করে। এই পরিস্থিতিতে লক্ষ্মণ সেন মধ্যাহ্নভােজ অসমাপ্ত রেখে খালি পায়ে রাজপ্রাসাদের খিড়কির দরজা দিয়ে বের হন। তিনি নদিয়া ছেড়ে নৌকায় করে পূর্ববঙ্গে বিক্রমপুরে পালিয়ে যান।
Tags
History
