উঃ চিকিৎসা ও রসায়ন বিজ্ঞানে যথাক্রমে উপেন্দ্রনাথ ব্ৰষ্মচারী ও প্রিয়দারঞ্জন রায়ের বিশাল অবদান ছিল।
● উপেন্দ্রনাথ ব্রম্মচাৱী (১৮৭৩-১৯৪৬ খ্রি): উপেন্দ্রনাথ ব্রম্মচারীর চিকিৎসাবিজ্ঞানে অবদান তাঁকে স্মরণীয় করে রেখেছে। তিনি ম্যালেরিয়া, ব্ল্যাকওয়াটার ফিভার ও রসায়নশাস্ত্র বিষয়ে গবেষণা করেন। কালাজ্বরের জন্য উপেন্দ্রনাথ পি-অ্যামিনাে স্টিবিনিক অ্যাসিডের সঙ্গে ইউরিয়ার বিক্রিয়া ঘটিয়ে তৈরি করলেন ইউরিয়া স্টিমাইন। কালাজ্বরে আক্রান্ত রােগীর ওপর প্রয়ােগ করে উপেন্দ্রনাথ সাফল্য পেলেন। তাঁর ওই যুগান্তকারী আবিষ্কার কালাজ্বরে আক্রান্ত লক্ষ লক্ষ মানুষকে রক্ষা করল মৃত্যু থেকে। দেশি ওষুধ তৈরির জন্য ‘ব্রম্মচারী রিসার্চ ইন্সটিটিউট স্থাপন করেন।
● প্রিয়দারঞ্জন রায় (১৮৮৮-১৯৮২ খ্রি.): প্রিয়দারঞ্জন রায় রসায়নশাস্ত্রে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে এমএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। তিনি আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের অন্যতম কৃতী ছাত্র ছিলেন। আচার্য রায়ের অধীনে তারই গবেষণাগারে প্রিয়দারঞ্জন অজৈব রসায়ন গবেষণায় রত ছিলেন। গবেষণাগারের দুর্ঘটনায় তিনি একটি চোখ হারান। রুবিয়ানিক অ্যাসিড সংক্রান্ত গবেষণায় খ্যাতির অধিকারী হন। রসায়নশাস্ত্রে তাঁর বহু মূল্যবান গবেষণা রসায়নশাস্ত্রের প্রামাণ্য গ্রন্থে স্থান লাভ করে। অজৈব রসায়নে তাঁর গবেষণা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অধিকারী হয়। তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থের মধ্যে প্রাচীন ভারতের চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
Tags
Bengali
