রচনা: মদনপালের সভাকবি তথা প্রজাপতি নন্দীর পুত্র ছিলেন সন্ধ্যাকর নন্দী। তিনি খ্রিস্টীয় নবম শতকে রচনা করেন রামচরিত কাব্যটি।
বিভাগ: রামচরিত কাব্যটি চারটি অধ্যায়ে বিভক্ত। যথা0 আরম্ভরাম, @ দ্বিতীয় অধ্যায়ের নাম জানা যায় না, 3 রাম প্রত্যাগমন এবং রামােত্তরচরিত। গ্রন্থটির বেশিরভাগ অংশে রামপালের কীর্তিকথা রয়েছে। তবে চতুর্থ অধ্যায়টিতে মদনপালের রাজ-প্রশস্তির আধিক্য দেখা যায়।
বিষয়বস্তু : রামচরিত গ্রন্থে একদিকে যেমন রামচন্দ্রের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, অপরদিকে মদনপাল পর্যন্ত পাল শাসকদের কাহিনি বর্ণিত রয়েছে। গ্রন্থটিতে বিশেষ করে রামপাল কর্তৃক কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন এবং রামপাল কর্তৃক বরেন্দ্রভূমি পুনরুদ্ধারের ওপর আলােকপাত করা হয়েছে।
বৈশিষ্ট্য:
1) সংস্কৃত ভাষায় লেখা এই কাব্যে শ্লেষ অলংকারের অপূর্ব ব্যবহার দেখা যায়। ২২০টি শ্লোকের প্রত্যেকটিতে এই অলংকারকে খুব ভালােভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
2) কাব্যটিতে ভগবান রামচন্দ্র ও পাল রাজা রামপালের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।
3) কাব্যটি অলংকারপ্রিয়তায় এবং কাব্যগুণে একাদশ শতকের সংস্কৃত কাব্যের সঙ্গে তুলনীয়।
4) রামচরিত' কাব্যটি প্রকৃতিগত বিচারে ইতিহাস নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রয়ী এক কাব্য।
Tags
History
