উত্তর: ঋগ্বৈদিক যুগে প্রচলিত চারটি বর্ণের পাশাপাশি পেশাভিত্তিক একাধিক উপবর্ণের সৃষ্টি হয়। পরবর্তী বৈদিক যুগে যেমন—সূত্রধর, স্বর্ণকার, চর্মকার, মৎস্যজীবি ইত্যাদি শ্রেণি দেখা যায়। পরবর্তী বৈদিক যুগে শূদ্র ও বৈশ্যের মধ্যে ব্যবধান অনেক হ্রাস পায়। বর্ণভেদের পাশাপাশি সমাজে অস্পশ্যতার উদ্ভব ঘটে। ব্রাত্য ও নিষাদ নামে দুটি পৃথক বর্ণের সৃষ্টি হয়।
Tags
History
