উত্তর: গ্রামীণ আর্যদের কৃষি ছিল প্রধান বৃত্তি। লোহার ব্যবহার নিয়ে মতভেদ থাকলেও অনেকে মনে করেন এ যুগের লোহার লাঙলের সাহায্যে কৃষির সম্প্রসারণ ঘটেছিল। ক্ষেতকর্ষণ, বীজবপন, জমিতে সার দেওয়া, জলসেচ, শস্যকাটা প্রভৃতি বিষয়ে তারা দক্ষ ছিল। পশুপালন ও ব্যাবসাবাণিজ্য ছিল তাদের অন্যতম প্রধান উপজীবিকা। আর্য অর্থনীতিতে গোরু, ঘোড়া ও ভেড়ার কথা জানা গেলেও গোরুর গুরুত্ব ছিল সর্বাধিক। ঋগ্বেদে ‘গাভিষ্টি’ বা গোরুর অন্বেষণ শব্দটি একাধিকবার পাওয়া গেছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ধাতুশিল্পী, স্বর্ণকার, কুমোর, চর্মশিল্পী, তাঁতি, কসাই প্রভৃতি নানা নতুন বৃত্তির উদ্ভব ঘটে। নদীপথে ও স্থলপথে আর্যদের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য চললেও পারস্য সাগরীয় উপকূলের সঙ্গে বৈদেশিক বাণিজ্য চলত।
Tags
History
