উত্তরঃ
◆ চর্যাপদ আবিষ্কার : ‘চর্যাপদের’ পুথিটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম পুথি। এটির নাম নিয়ে মতভেদ আছে। মহামহােপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে নেপালের রাজদরবারের লাইব্রেরি থেকে এই পুথিটি আবিষ্কার করেন।
◆ ঐতিহাসিক গুরুত্ব : চর্যাপদ বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত ধর্মীয় সংগীত হলেও এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম। প্রথমত, চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন। বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ কেমন ছিল, তা জানার প্রধানতম অবলম্বন ‘চর্যাপদ'। দ্বিতীয়ত, চর্যার পদগুলি বাংলা সাহিত্যেরও প্রাচীনতম নিদর্শন। তৃতীয়ত, প্রাচীন বাংলার সামাজিক ইতিহাসচর্চায় চর্যাপদের কোনাে বিকল্প নেই। প্রাচীন বাংলার সমাজ ও জীবনযাত্রার বিবিধ পরিচয় ছড়িয়ে আছে এই গ্রন্থে। চতুর্থত, হাজার বছর আগেকার ধর্মীয় ইতিহাস জানতে গেলেও চর্যাপদ’-এর শরণাপন্ন হতে হয়। সব মিলিয়ে চর্যাপদ’ ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

0 Comments
Please Do Not Enter Any Span Link in The Comment Box