বিভীষনের প্রতি ইন্দ্রজিৎ কবিতায় কবি শ্রীমধুসূদন বিভীষণকে পরপদলেহী, স্বজাতিদ্রোহী, বর্বর, কাপুরুষ করে দেখিয়েছেন। মেঘনাদ চেষ্টা করেছিলেন, খুল্লতাতের অন্তরে দেশাত্মবােধ ও স্বাজাত্যবােধের পুনরুজ্জীবন ঘটাতে। কিন্তু তাঁর সমস্ত বিনয় নম্রতাপূর্ণ জ্ঞানগর্ভ প্রস্তাব ও প্রার্থনা ব্যর্থ করে দিয়েছেন বিভীষণ। কবির দৃষ্টিতে Noble fellow ইন্দ্রজিৎ, Scoundrel Bivishan। কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ করা গেছে তা হল—বিভীষণ তাঁর সত্যধর্মে অবিচল। দেশ, জাতি, বংশ, ভ্রাতা, পরিবার কেউই তাঁর সত্যধর্মের কাছে বড়াে নয়। তিনি বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ, তাই অনুধাবন করতে পেরেছিলেন রাবণকে একদিন তাঁর পাপকর্মের জন্য প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে, এমনকি লঙ্কাবাসীকেও ভুগতে হবে। তবু আমরা মনে করি ‘জন্মভূমির শত্রু রামচন্দ্রকে প্রভু বলা দেশমাতার সন্তানের কাছে একধরনের দ্বিচারিতা ।
Tags
Bengali
