বিভীষনের প্রতি ইন্দ্রজিৎ কবিতায় লক্ষ্মণ চরিত্রের উপস্থিতি নেই তবু ‘বিন্দুতে সিন্ধু দর্শন করতে হবে। ইন্দ্রজিতের কথাবার্তায় আমরা লক্ষ্মণ চরিত্রের আভাস পাই। ইন্দ্রজিৎ লক্ষ্মণকে তস্কর, চণ্ডাল, ক্ষুদ্রমতি-নর, মহারথীপ্রথা লঙ্ঘনকারী, কুমতি, প্রগভে, দম্ভী, নরাধম, বনবাসী, দুরাচার দৈত্য, প্রফুল্ল কমলে কীট ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষিত করেছেন। এর থেকে আমরা বুঝতে পারি লক্ষ্মণ মােটেও ভালাে লােক নয়। কপটসংগ্রাম করবার জন্য যেভাবে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেছেন তা তস্কর সদৃশ কাপুরুষােচিত। নিরস্ত্রকে আঘাত করার যে রণনীতি নিয়েছেন তা অবীরােচিত, ক্ষত্রিয় নীতিবিরুদ্ধ।
Tags
Bengali
