উঃ। নানা কারণ থাকলেও মূলত রাজনৈতিক কারণেই মুঘলদের সঙ্গে শিখদের সংঘাত শুরু হয়। শিখদের সঙ্গে জাহাঙ্গির এবং শাহজাহানের আমলে মুঘলদের সংঘাত দেখা দেয়। এই সংঘাতের চরিত্র ছিল রাজনৈতিক। শিখরা তাদের গুৰুৱ প্রতি অনুগত ছিল। তাই নিয়ে অনেক সময় মুঘল রাষ্ট্রের সঙ্গে শিখদের সংঘাত বেঁধে যেত। শিখদের দশজন গুপ্ত ছিলেন। ষোড়শ শতকের শেষের দিকে চতুর্থ গুরু রামদাসের পুত্র অর্জুনদেব শিখদের গুরু হন। এই সময় থেকেই শিখদের মধ্যে বংশানুক্রমিকভাবে গুরু নির্বাচন করা শুরু হয়। এই শিখদের উত্থান অনেকটাই একটা স্বাধীন শক্তির উত্থানের মতোই হয়ে উঠেছিল যা মুঘলদের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব ছিল না। নবম শিখ গুরু তেগবাহাদুর ঔরঙ্গজেবের ধর্মীয় নীতির বিরোধিতা করেন। তেগবাহাদুরকে বন্দি করে মুঘলরা হত্যা করে। এই ঘটনার পর শিখরা পাঞ্জাবের পাহাড়ি এলাকায় চলে যান এবং সেখানেই দশম শিখ গুরু গোবিন্দ সিংহের নেতৃত্বে তারা সংঘবদ্ধ হতে থাকেন। ১৬৯৯ খ্রিস্টাব্দে গুরু গোবিন্দ সিংহ খালসা নামক একটি সংগঠন তৈরি করেন। খালসার প্রধান কাজ ছিল শিখদের নিরাপদে রাখা। গুরু গোবিন্দ সিংহ।
0 Comments
Please Do Not Enter Any Span Link in The Comment Box